ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রমজান ঘিরে বরিশালে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

শাহ জালাল, বরিশাল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫ ১৫১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রমজানকে কেন্দ্র করে বরিশালের বাজারেও বেশ কিছু নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে সাধারণ ভোক্তাদের দুর্ভোগ বাড়ছে। বেগুন থেকে শুরু করে রোজার মাসে বাড়তি চাহিদার কিছু সবজির সাথে কিছু কিছু ফলের দাম বেড়েছে। ভোজ্য তেল নিয়ে চলছে তেলেসমাতি।

তবে এবার সবজির বাড়তি উৎপাদনে বাজারে সরবারহ ঘাটতি না থাকায় মূল্যবৃদ্ধির প্রবনতা অন্য বছরের তুলনায় কিছুটা কম হলে তাও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ইফতারীর বাজারেও ভোজ্য তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব ফেললেও কিছু ইফতার পণ্যের মূল্য গতবছরের প্রায় সমান রয়েছে।

রমজানের শুরুর দিনই বরিশালের বাজারে ৩০ টাকার বেগুন ৮০ টাকা ছুঁয়েছে। গত বছর প্রথম রমজানে অবশ্য এ কৃষিপণ্যের দাম ১২০ টাকা ছুঁয়েছিল। গত বছর এই দিনে ১শ টাকা কেজির টমেটো এবার ৪০ টাকায়ই সীমিত রয়েছে।

তবে গত ৩ দিনে দেশীয় পেঁয়াজের কেজি ৫০ টাকা ছুঁয়েছে। বিদেশী পেঁয়াজও কেজিতে ৩টাকা বেড়েছে। গোল আলুও কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে খুচরা পর্যায়ে ২৫ টাকা বিক্রী হচ্ছে গত দুদিন।

তবে ভোজ্যতেল নিয়ে অশ্বস্তির শেষ নেই। বরিশালের বাজারেও গত কয়েকদিন ধরে সয়াবানি তেলের সরবরাহ ঘটতি লক্ষ্য করা গেছে। বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭০-১৮০ টাকা লিটার বিক্রী হচ্ছে। ফলে সাধারন মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। কোন কোন ব্যবসায়ী অন্যান্য সামগ্রী না কিনলে সোয়াবিন বোতলজাত সোযাবিন তেল বিক্রী করচেনা। রমজানে ভোজ্য তেলের বাড়তি চাহিদার সুযোগে এ পণ্যটিকে জিম্মি করে বাড়তি ফয়দা লুটছে বলে অভিযোগ উঠলেও এ বিষয়ে কোন প্রশাসনিক পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি।

এ ব্যাপারে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরও নিশ্চুপ ছিল রোববার পর্যন্ত। ফলে সাধারন মানুষের দুর্ভোগের সাথে ক্ষোভও বাড়ছে। অবশ্য বরিশাল অঞ্চলে সোয়াবিনের উল্লেযোগ্য মিল নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রমজান ঘিরে বরিশালে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

রমজানকে কেন্দ্র করে বরিশালের বাজারেও বেশ কিছু নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে সাধারণ ভোক্তাদের দুর্ভোগ বাড়ছে। বেগুন থেকে শুরু করে রোজার মাসে বাড়তি চাহিদার কিছু সবজির সাথে কিছু কিছু ফলের দাম বেড়েছে। ভোজ্য তেল নিয়ে চলছে তেলেসমাতি।

তবে এবার সবজির বাড়তি উৎপাদনে বাজারে সরবারহ ঘাটতি না থাকায় মূল্যবৃদ্ধির প্রবনতা অন্য বছরের তুলনায় কিছুটা কম হলে তাও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ইফতারীর বাজারেও ভোজ্য তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব ফেললেও কিছু ইফতার পণ্যের মূল্য গতবছরের প্রায় সমান রয়েছে।

রমজানের শুরুর দিনই বরিশালের বাজারে ৩০ টাকার বেগুন ৮০ টাকা ছুঁয়েছে। গত বছর প্রথম রমজানে অবশ্য এ কৃষিপণ্যের দাম ১২০ টাকা ছুঁয়েছিল। গত বছর এই দিনে ১শ টাকা কেজির টমেটো এবার ৪০ টাকায়ই সীমিত রয়েছে।

তবে গত ৩ দিনে দেশীয় পেঁয়াজের কেজি ৫০ টাকা ছুঁয়েছে। বিদেশী পেঁয়াজও কেজিতে ৩টাকা বেড়েছে। গোল আলুও কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে খুচরা পর্যায়ে ২৫ টাকা বিক্রী হচ্ছে গত দুদিন।

তবে ভোজ্যতেল নিয়ে অশ্বস্তির শেষ নেই। বরিশালের বাজারেও গত কয়েকদিন ধরে সয়াবানি তেলের সরবরাহ ঘটতি লক্ষ্য করা গেছে। বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭০-১৮০ টাকা লিটার বিক্রী হচ্ছে। ফলে সাধারন মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। কোন কোন ব্যবসায়ী অন্যান্য সামগ্রী না কিনলে সোয়াবিন বোতলজাত সোযাবিন তেল বিক্রী করচেনা। রমজানে ভোজ্য তেলের বাড়তি চাহিদার সুযোগে এ পণ্যটিকে জিম্মি করে বাড়তি ফয়দা লুটছে বলে অভিযোগ উঠলেও এ বিষয়ে কোন প্রশাসনিক পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি।

এ ব্যাপারে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরও নিশ্চুপ ছিল রোববার পর্যন্ত। ফলে সাধারন মানুষের দুর্ভোগের সাথে ক্ষোভও বাড়ছে। অবশ্য বরিশাল অঞ্চলে সোয়াবিনের উল্লেযোগ্য মিল নেই।