ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘হাসিনাকে দেশে আনার প্রক্রিয়া চালাবে ঢাকা’

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪ ১১৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের  প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভারতীয় দৈনিক দ্য হিন্দুকে বলেছেন, বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চালাবে।

তবে তিনি বলেন, তার দল আওয়ামী লীগ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে তাঁর কোনো আপত্তি নেই।

ঢাকায় তার বাসভবনে দ্য হিন্দুর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস ভারতের সাথে সম্পর্ক এবং সংস্কারের পরিকল্পনার বিষয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

ভারতীয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করণে সোমবার (১৮ নভেম্বর) তার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়েছে।

ড. ইউনূস তার সরকার গঠনের ১০০ দিনের কার্যক্রমের পক্ষে অবস্থান নেন এবং কট্টরপন্থার উত্থান ও দেশের হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিবেদনকে ‘প্রপাগান্ডা’ বলে অভিহিত করেন। যদিও এধরনের প্রতিবেদনের জেরে তাঁর সরকার ভারত ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী (তৎকালীন) ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‘হাসিনাকে দেশে আনার প্রক্রিয়া চালাবে ঢাকা’

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের  প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভারতীয় দৈনিক দ্য হিন্দুকে বলেছেন, বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চালাবে।

তবে তিনি বলেন, তার দল আওয়ামী লীগ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে তাঁর কোনো আপত্তি নেই।

ঢাকায় তার বাসভবনে দ্য হিন্দুর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস ভারতের সাথে সম্পর্ক এবং সংস্কারের পরিকল্পনার বিষয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

ভারতীয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করণে সোমবার (১৮ নভেম্বর) তার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়েছে।

ড. ইউনূস তার সরকার গঠনের ১০০ দিনের কার্যক্রমের পক্ষে অবস্থান নেন এবং কট্টরপন্থার উত্থান ও দেশের হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিবেদনকে ‘প্রপাগান্ডা’ বলে অভিহিত করেন। যদিও এধরনের প্রতিবেদনের জেরে তাঁর সরকার ভারত ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী (তৎকালীন) ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে।