ভাঙ্গুড়ায় সড়ক সংস্কারে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক সংস্কার কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
উপজেলার ভেড়ামারা বাজার থেকে পাবনাগামী সড়কের ৩ হাজার ৫৭৬ মিটার অংশে এই সংস্কার কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই প্রকল্পের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয় এবং প্রায় ৩ কোটি ৫১ হাজার টাকায় কাজটি পায় কুষ্টিয়ার ‘সৈকত এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রায় এক মাস আগে কাজ শুরু হয়, যা একটি স্থানীয় সাব-ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুরু থেকেই নিম্নমানের ও পোড়া ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তারা বিভিন্ন দপ্তরে মৌখিক অভিযোগ জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ-পাবনা অঞ্চলের এলজিইডির ডেপুটি ডিরেক্টর মমিন মজিবুল হক সম্প্রতি কাজটি পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তিনি নিম্নমানের সামগ্রী সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, সেই নির্দেশনা পুরোপুরি মানা হয়নি। বরং নিম্নমানের খোয়ার সঙ্গে কিছু ভালো মানের খোয়া মিশিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাজের তদারকিতে একজন কর্মচারী থাকলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর উপস্থিতি ছিল না। উপজেলা প্রকৌশল অফিসে উপসহকারী প্রকৌশলীর একাধিক পদ শূন্য থাকায় নিয়মিত তদারকিতে ঘাটতি রয়েছে বলে জানা গেছে। এই সুযোগেই অনিয়ম করছে ঠিকাদার—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।
এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পরিদর্শনে কিছু ত্রুটি ধরা পড়েছে এবং সেগুলো সংশোধনে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কাজের তদারকি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এলজিইডির ডেপুটি ডিরেক্টর মমিন মজিবুল হক বলেন, নিম্নমানের খোয়া ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং সংশ্লিষ্টদের তা অপসারণ করে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।





















