হাম-রুবেলা টিকাদান শুরু আজ, অগ্রাধিকার ৬ মাস–৫৯ মাস বয়সী শিশু
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৪:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
দেশব্যাপী হাম-রুবেলা প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি আজ রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের অগ্রাধিকার দিয়ে এই টিকা দেওয়া হবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, সকাল ৯টা থেকে একযোগে নির্ধারিত উপজেলাগুলোতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রথম ধাপে রাজশাহী, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, ঝালকাঠি, ময়মনসিংহ, চাঁদপুর, বরিশাল, পাবনা, নওগাঁ, গাজীপুর, নেত্রকোনা, শরীয়তপুর, বরগুনা, মাদারীপুর, কক্সবাজার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও যশোর জেলার ৩০টি উপজেলায় এ কর্মসূচি চালু হচ্ছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, উদ্বোধনী দিনে পাঁচটি স্থানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিত থাকবেন। অন্য উপজেলাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন ও সিভিল সার্জনদের তত্ত্বাবধানে কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, যেসব শিশু জ্বরে আক্রান্ত বা অসুস্থ, তাদের সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেওয়া হবে। তবে আগে টিকা নেওয়া থাকুক বা না থাকুক—এই বয়সসীমার সব শিশুকেই পুনরায় টিকার আওতায় আনা হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, আক্রান্তদের প্রায় ৮২ শতাংশই ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশু। তাই প্রথম ধাপে এই বয়সসীমাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রে কার্যক্রম চলবে। আগের টিকাদান কেন্দ্রের পাশাপাশি স্কুল, কমিউনিটি সেন্টারসহ স্থানীয়ভাবে নির্ধারিত স্থানেও টিকা দেওয়া হবে।
এ কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে হাম আক্রান্ত বা জ্বরে ভোগা শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে। তবে সুস্থ শিশুদের ক্ষেত্রে শুধু টিকাই প্রদান করা হবে।
সরকার জানিয়েছে, এটি একটি চলমান কার্যক্রম। প্রথমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় শুরু হলেও ধীরে ধীরে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে এবং জুলাইয়ের মধ্যে এটি নিয়মিত কর্মসূচির অংশে পরিণত হবে।
২০২৫ সালে টিকাদানের হার কমে যাওয়ার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অতীতের বিষয় নিয়ে সময় নষ্ট না করে বর্তমানে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।





















