মাইগ্রেনের তীব্র ব্যথায় নাজেহাল? সহজ কিছু উপায়ে পেতে পারেন স্বস্তি
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
মাইগ্রেন সাধারণ মাথাব্যথা নয়; এটি একটি স্নায়বিক সমস্যা, যা দৈনন্দিন জীবনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করতে পারে। মাথার একপাশে তীব্র ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং আলো বা শব্দে অস্বস্তি—এসবই এর পরিচিত লক্ষণ।
চিকিৎসকদের মতে, পুরোপুরি নিরাময় কঠিন হলেও কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে মাইগ্রেনের প্রকোপ অনেকটাই কমানো সম্ভব।
নিয়মিত খাবার ও পর্যাপ্ত পানি
দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে গিয়ে মাথাব্যথা বাড়তে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। পাশাপাশি প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি, কারণ জলশূন্যতা মাইগ্রেনের বড় একটি ট্রিগার।
ঠিক রাখুন ঘুমের রুটিন
কম ঘুম বা অতিরিক্ত ঘুম—দুটিই মাইগ্রেনের কারণ হতে পারে। প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন এবং একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও জাগার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
স্ক্রিন টাইমে নিয়ন্ত্রণ
মোবাইল, কম্পিউটার বা টিভির নীল আলো চোখে চাপ তৈরি করে, যা ব্যথা বাড়াতে পারে। তাই কাজের মাঝে বিরতি নিন এবং ২০-২০-২০ নিয়ম মেনে চলুন—প্রতি ২০ মিনিটে ২০ ফুট দূরের দিকে ২০ সেকেন্ড তাকান।
ট্রিগার খাবার এড়িয়ে চলুন
অতিরিক্ত চা-কফি, চকোলেট, পনির বা প্রক্রিয়াজাত খাবার অনেকের ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের কারণ হতে পারে। পাশাপাশি তীব্র রোদ ও কড়া সুগন্ধি থেকেও দূরে থাকার চেষ্টা করুন।
মানসিক চাপ কমান
দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ মাইগ্রেনের অন্যতম কারণ। প্রতিদিন কিছু সময় যোগব্যায়াম, প্রাণায়াম বা হালকা ব্যায়াম করলে স্নায়ু শান্ত থাকে এবং রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়।
বিশেষ পরামর্শ
ব্যথা শুরু হলে অন্ধকার ও নীরব ঘরে বিশ্রাম নিন। কপাল বা ঘাড়ে ঠান্ডা সেঁক দিলে সাময়িক আরাম পেতে পারেন।
বিশেষ টিপস: মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হলে একটি অন্ধকার ও শান্ত ঘরে বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করুন। কপালে বা ঘাড়ের পেছনের অংশে ঠান্ডা জল বা বরফের সেঁক দিলে সাময়িক আরাম মিলতে পারে।




















