ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন, নিহত ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার কেরানীগঞ্জে শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় একটি গ্যাস লাইটার তৈরির টিনশেড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, দুপুর ১টা ১১ মিনিটে আগুন লাগার খবর আসে। খবর পাওয়ার মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই, দুপুর ১টা ১৬ মিনিটে, ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এক ঘণ্টা ২০ মিনিটের চেষ্টার পর বিকেল ২টা ৩০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

keranegong

প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি, আগুন লাগার সঠিক কারণ বা কারখানার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। তবে নিহতদের পরিবার ও শ্রমিকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কারখানার ভিতরে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারের সময় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন। একাধিক পরিবার এখন মারা যাওয়া প্রিয়জনদের জন্য হারানোর শোক সামলে ধরতে পারছেন না।

keranegong 2

এই দুর্ঘটনা আবারও তুলে ধরল—কারখানা নিরাপত্তা ও অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকলে শ্রমিকদের জীবন কতটা ঝুঁকিতে থাকে।

ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোলরুম কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। নিহতদের নাম-পরিচয়ও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন, নিহত ৫

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকার কেরানীগঞ্জে শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় একটি গ্যাস লাইটার তৈরির টিনশেড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, দুপুর ১টা ১১ মিনিটে আগুন লাগার খবর আসে। খবর পাওয়ার মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই, দুপুর ১টা ১৬ মিনিটে, ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এক ঘণ্টা ২০ মিনিটের চেষ্টার পর বিকেল ২টা ৩০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

keranegong

প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি, আগুন লাগার সঠিক কারণ বা কারখানার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। তবে নিহতদের পরিবার ও শ্রমিকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কারখানার ভিতরে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারের সময় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন। একাধিক পরিবার এখন মারা যাওয়া প্রিয়জনদের জন্য হারানোর শোক সামলে ধরতে পারছেন না।

keranegong 2

এই দুর্ঘটনা আবারও তুলে ধরল—কারখানা নিরাপত্তা ও অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকলে শ্রমিকদের জীবন কতটা ঝুঁকিতে থাকে।

ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোলরুম কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। নিহতদের নাম-পরিচয়ও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।