ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:২০:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি তেলের ঘাটতি এড়াতে আজ রোববার (৮ মার্চ) থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ তথ্য জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

গত শুক্রবার রাজধানীর পরীবাগ এলাকায় একটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পেট্রোল পাম্পগুলোর জন্য লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য নির্ধারিত হয়েছে সর্বোচ্চ ১০ লিটার।

এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাস দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল পাবে। পিকআপ ও লোকাল বাস প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। অন্যদিকে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেলের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিপিসি জানায়, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে অনেক সময় আমদানি প্রক্রিয়ায় বিলম্ব বা বাধা তৈরি হয়।

এ ছাড়া গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেলের মজুদ নিয়ে নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় ভোক্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে। এতে ডিলাররাও আগের তুলনায় বেশি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:২০:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

দেশে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি তেলের ঘাটতি এড়াতে আজ রোববার (৮ মার্চ) থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ তথ্য জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

গত শুক্রবার রাজধানীর পরীবাগ এলাকায় একটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পেট্রোল পাম্পগুলোর জন্য লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য নির্ধারিত হয়েছে সর্বোচ্চ ১০ লিটার।

এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাস দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল পাবে। পিকআপ ও লোকাল বাস প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। অন্যদিকে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেলের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিপিসি জানায়, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে অনেক সময় আমদানি প্রক্রিয়ায় বিলম্ব বা বাধা তৈরি হয়।

এ ছাড়া গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেলের মজুদ নিয়ে নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় ভোক্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে। এতে ডিলাররাও আগের তুলনায় বেশি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।