ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হান্ডিয়ালে পুকুর খননের সময় উদ্ধার ৪ ফুটের বিষ্ণু মূর্তি সংঘাত নয়, দেশ গঠনের রাজনীতি করতে হবে: নার্গিস বেগম তেল নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই, ৯ মার্চ আসছে দুই জাহাজ ধানমন্ডি ৩২-এ ফুল দিতে যাওয়ার পথে চারজন গ্রেপ্তার মাটির নিচে ট্যাংকিতে ১০ হাজার লিটার ডিজেল মজুত, ব্যবসায়ীকে জরিমানা পরিকল্পিত জাকাত ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্য কমানো সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী মীনা আইভিএফ ও প্রাইম ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর ঘোষণা ছাড়াই জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ, ব্যবসায়ীরা উধাও নোয়াখালীতে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরী, দুই ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা নোয়াখালীতে বিদেশি পিস্তলসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

ঘোষণা ছাড়াই জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ, ব্যবসায়ীরা উধাও

লিয়াকত হোসাইন লায়ন, জামালপুর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই জামালপুওে পাম্প ও খুচরা দোকানে তেল বিক্রি বন্ধ করে দোকানপাট তালা লাগিয়ে ব্যবসায়ীরা উধাও হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল আরোহী, প্রাইভেটকার,ট্রাক্টর চালকসহ সাধারণ মানুষ।

জানাগেছে,ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ঘিরে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। এই গুজবে সংকট সৃষ্টি ও অধিক লাভের আশায় মজুত তেল রেখেই ইসলামপুরে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী ও ডিলাররা দোকান তালা দিয়ে উধাও হয়েছে। অন্যদিকে ডিলাররা ডিপো থেকে চাহিদামত জ¦ালানি না পাওয়ার অভিযোগ করছে।

শুক্রবার রাত ও শনিবার (৭ মার্চ) ইসলামপুরে পৌর এলাকার টংগের আলগা এলাকায় উপজেলার একমাত্র ঝর্ণা ফিলিং স্টেশন সহ বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে,খোলা বাজারের সকল দোকান বন্ধ থাকায় তেল নিতে পাম্পে ভিড় করেছেন চালকরা। মোটরসাইকেল ও ইঞ্জিন চালিত যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও সংশ্লিষ্টরা তেল বিক্রি বন্ধ রাখায় অপেক্ষার পরও অনেকে তেল না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনের পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন,উপজেলায় ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনের মাধ্যমে উপজেলায় প্রায় ৬০ জন খুচরা বিক্রেতা রয়েছে। এছাড়াও পৌর শহরের গুরুস্থান মোড়ে সওদাগর পেট্রোলিয়াম মোশারফ গঞ্জ বাজারে ফকির পেট্রোলিয়াম, ধর্মকুড়া বাজারে ঝর্ণা অয়েল মিল,গুঠাইল বাজারে জাহাঙ্গীর ট্রেডার্স,বঙ্গবন্ধু মোড়ে মুন্নি টেডার্সসহ উপজেলায় প্রায় ১০জন ডিলার রয়েছে। সিরাজগঞ্জের ডিপো আমরা প্রতিদিন চাহিদা মত জ¦ালানি না পাওয়া ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা তাদের চাহিদা পূরণ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

সওদাগর পেট্রোলিয়াম ডিলার মিস্টার আলী বলেন, যতটুকু জ¦ালানি পাই তা দিয়ে গ্রাহকের চাহিদা পুরণ হচ্ছে না। সকালেই দোকান খোলা মাত্রই শেষ হয়ে যায়। মুন্নি ট্রেডার্সের ডিলার আবুল কালাম বলেন,প্রতিদিন যা প্রয়োজন তার অর্ধেকও ডিপো থেকে পাচ্ছিনা। তাই দোকান বন্ধ করে রেখেছি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিকল্পিতভাবে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছেন। পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্তে¡ও তেল বিক্রি বন্ধ রাখাকে তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন। এ বিষয়ে সচেতন মহল অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঘোষণা ছাড়াই জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ, ব্যবসায়ীরা উধাও

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই জামালপুওে পাম্প ও খুচরা দোকানে তেল বিক্রি বন্ধ করে দোকানপাট তালা লাগিয়ে ব্যবসায়ীরা উধাও হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল আরোহী, প্রাইভেটকার,ট্রাক্টর চালকসহ সাধারণ মানুষ।

জানাগেছে,ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ঘিরে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। এই গুজবে সংকট সৃষ্টি ও অধিক লাভের আশায় মজুত তেল রেখেই ইসলামপুরে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী ও ডিলাররা দোকান তালা দিয়ে উধাও হয়েছে। অন্যদিকে ডিলাররা ডিপো থেকে চাহিদামত জ¦ালানি না পাওয়ার অভিযোগ করছে।

শুক্রবার রাত ও শনিবার (৭ মার্চ) ইসলামপুরে পৌর এলাকার টংগের আলগা এলাকায় উপজেলার একমাত্র ঝর্ণা ফিলিং স্টেশন সহ বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে,খোলা বাজারের সকল দোকান বন্ধ থাকায় তেল নিতে পাম্পে ভিড় করেছেন চালকরা। মোটরসাইকেল ও ইঞ্জিন চালিত যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও সংশ্লিষ্টরা তেল বিক্রি বন্ধ রাখায় অপেক্ষার পরও অনেকে তেল না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনের পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন,উপজেলায় ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনের মাধ্যমে উপজেলায় প্রায় ৬০ জন খুচরা বিক্রেতা রয়েছে। এছাড়াও পৌর শহরের গুরুস্থান মোড়ে সওদাগর পেট্রোলিয়াম মোশারফ গঞ্জ বাজারে ফকির পেট্রোলিয়াম, ধর্মকুড়া বাজারে ঝর্ণা অয়েল মিল,গুঠাইল বাজারে জাহাঙ্গীর ট্রেডার্স,বঙ্গবন্ধু মোড়ে মুন্নি টেডার্সসহ উপজেলায় প্রায় ১০জন ডিলার রয়েছে। সিরাজগঞ্জের ডিপো আমরা প্রতিদিন চাহিদা মত জ¦ালানি না পাওয়া ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা তাদের চাহিদা পূরণ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

সওদাগর পেট্রোলিয়াম ডিলার মিস্টার আলী বলেন, যতটুকু জ¦ালানি পাই তা দিয়ে গ্রাহকের চাহিদা পুরণ হচ্ছে না। সকালেই দোকান খোলা মাত্রই শেষ হয়ে যায়। মুন্নি ট্রেডার্সের ডিলার আবুল কালাম বলেন,প্রতিদিন যা প্রয়োজন তার অর্ধেকও ডিপো থেকে পাচ্ছিনা। তাই দোকান বন্ধ করে রেখেছি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিকল্পিতভাবে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছেন। পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্তে¡ও তেল বিক্রি বন্ধ রাখাকে তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন। এ বিষয়ে সচেতন মহল অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।