ঢাকা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিকাশ, নগদ ও রকেটে আবার স্বাভাবিক লেনদেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় টাকা অপব্যবহার রোধে মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছিল। চার দিনের এই বিধিনিষেধের কারণে বিকাশ, রকেট ও নগদ ব্যবহারকারীরা প্রতিবার এক হাজার টাকার বেশি পাঠাতে পারছিলেন না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায়, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এই সীমা কার্যকর ছিল। ওই সময়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি অর্থ স্থানান্তর (পি-টু-পি) সীমিত করা হয় এবং দৈনিক সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধে লেনদেন স্বাভাবিক ছিল।

এছাড়া প্রতিটি এমএফএস প্রতিষ্ঠানকে ‘কুইক রেসপন্স সেল’ গঠন করতে বলা হয়েছিল যাতে অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। সব ধরনের লেনদেনের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হয় এবং সন্দেহজনক লেনদেন থাকলে তা দ্রুত থানায় রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে এসব সীমাবদ্ধতা উঠে গেছে। এখন থেকে বিকাশ, নগদ ও রকেটে স্বাভাবিকভাবে লেনদেন করা যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ায় সব ধরনের লেনদেন স্বাভাবিকভাবে পুনরায় চালু হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিকাশ, নগদ ও রকেটে আবার স্বাভাবিক লেনদেন

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় টাকা অপব্যবহার রোধে মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছিল। চার দিনের এই বিধিনিষেধের কারণে বিকাশ, রকেট ও নগদ ব্যবহারকারীরা প্রতিবার এক হাজার টাকার বেশি পাঠাতে পারছিলেন না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায়, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এই সীমা কার্যকর ছিল। ওই সময়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি অর্থ স্থানান্তর (পি-টু-পি) সীমিত করা হয় এবং দৈনিক সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধে লেনদেন স্বাভাবিক ছিল।

এছাড়া প্রতিটি এমএফএস প্রতিষ্ঠানকে ‘কুইক রেসপন্স সেল’ গঠন করতে বলা হয়েছিল যাতে অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। সব ধরনের লেনদেনের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হয় এবং সন্দেহজনক লেনদেন থাকলে তা দ্রুত থানায় রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে এসব সীমাবদ্ধতা উঠে গেছে। এখন থেকে বিকাশ, নগদ ও রকেটে স্বাভাবিকভাবে লেনদেন করা যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ায় সব ধরনের লেনদেন স্বাভাবিকভাবে পুনরায় চালু হয়েছে।