ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাজারে বেড়েছে ডাল ও পোলাওয়ের চালের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে আমদানি করা নাজিরশাইল চালের দাম। তবে উল্টো চিত্র দেখা গেছে ছোট দানার মসুর ডাল, লেবু ও পোলাওয়ের চালের বাজারে—এসব পণ্যের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে মিনিকেট চালের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার ও শেওড়াপাড়া বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজারে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। বিক্রেতারা জানান, উৎপাদন এলাকাগুলোতে নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে দাম কমেছে। পাবনার সাঁথিয়া, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের নতুন পেঁয়াজ এখন বেশি আসছে।

পাবনার সাঁথিয়ায় পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম নেমে এসেছে ৩৩ থেকে ৩৮ টাকায়। এক মাস আগেও সেখানে কেজিপ্রতি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে প্রায় ৮৮ টাকায়। বর্তমান দামে অনেক কৃষক উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।

চালের বাজারে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। আমদানি করা নাজিরশাইল চালের দাম কেজিতে প্রায় ৫ টাকা কমে বর্তমানে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে যার দাম ছিল ৮০ থেকে ৮৫ টাকা। তবে দেশি নাজিরশাইল চাল এখনো ৮৫ টাকার কাছাকাছি রয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে নতুন দেশি নাজিরশাইল এলে দাম আরও কমতে পারে।

অন্যদিকে মিনিকেট চালের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বর্তমানে রশিদ মিনিকেট ৭২–৭৩ টাকা, সাগর ও মঞ্জুর ৮০–৮২ টাকা, ডায়মন্ড ৮৫ টাকা এবং মোজাম্মেল মিনিকেট ৮৫–৮৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে এক মাসের ব্যবধানে পোলাওয়ের চালের দাম কেজিতে প্রায় ২৫ টাকা বেড়েছে।

ডালের বাজারে ছোট দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা দরে, যা তিন সপ্তাহ আগে ছিল কেজিতে প্রায় ২০ টাকা কম। তবে মোটা দানার মসুর ডালের দাম কিছুটা কমে বর্তমানে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা।

এদিকে বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা কমেছে, তবে দাম এখনো বাড়েনি। খুচরা বিক্রেতারা জানান, ডিলারদের কাছ থেকে চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না তারা।

সব মিলিয়ে, বাজারে কিছু নিত্যপণ্যের দামে স্বস্তি এলেও কয়েকটি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাজারে বেড়েছে ডাল ও পোলাওয়ের চালের দাম

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে আমদানি করা নাজিরশাইল চালের দাম। তবে উল্টো চিত্র দেখা গেছে ছোট দানার মসুর ডাল, লেবু ও পোলাওয়ের চালের বাজারে—এসব পণ্যের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে মিনিকেট চালের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার ও শেওড়াপাড়া বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজারে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। বিক্রেতারা জানান, উৎপাদন এলাকাগুলোতে নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে দাম কমেছে। পাবনার সাঁথিয়া, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের নতুন পেঁয়াজ এখন বেশি আসছে।

পাবনার সাঁথিয়ায় পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম নেমে এসেছে ৩৩ থেকে ৩৮ টাকায়। এক মাস আগেও সেখানে কেজিপ্রতি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে প্রায় ৮৮ টাকায়। বর্তমান দামে অনেক কৃষক উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।

চালের বাজারে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। আমদানি করা নাজিরশাইল চালের দাম কেজিতে প্রায় ৫ টাকা কমে বর্তমানে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে যার দাম ছিল ৮০ থেকে ৮৫ টাকা। তবে দেশি নাজিরশাইল চাল এখনো ৮৫ টাকার কাছাকাছি রয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে নতুন দেশি নাজিরশাইল এলে দাম আরও কমতে পারে।

অন্যদিকে মিনিকেট চালের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বর্তমানে রশিদ মিনিকেট ৭২–৭৩ টাকা, সাগর ও মঞ্জুর ৮০–৮২ টাকা, ডায়মন্ড ৮৫ টাকা এবং মোজাম্মেল মিনিকেট ৮৫–৮৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে এক মাসের ব্যবধানে পোলাওয়ের চালের দাম কেজিতে প্রায় ২৫ টাকা বেড়েছে।

ডালের বাজারে ছোট দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা দরে, যা তিন সপ্তাহ আগে ছিল কেজিতে প্রায় ২০ টাকা কম। তবে মোটা দানার মসুর ডালের দাম কিছুটা কমে বর্তমানে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা।

এদিকে বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা কমেছে, তবে দাম এখনো বাড়েনি। খুচরা বিক্রেতারা জানান, ডিলারদের কাছ থেকে চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না তারা।

সব মিলিয়ে, বাজারে কিছু নিত্যপণ্যের দামে স্বস্তি এলেও কয়েকটি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে।