নিত্যপণ্যের দামে উত্তাপ, বিপাকে মধ্যবিত্তরা
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৫৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫ ৫৮ বার পড়া হয়েছে
সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীতে নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এ অবস্থায় সাধারণ ক্রেতারা দিশেহারা হয়ে ড়েছেন। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
শুক্রবার প্রতি কেজি করলা ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৬০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, শিম ১০০-১২০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, পটোল ৫০ টাকা ও মুলা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ ৮০ প্রতি কেজি টাকা, বেগুন ৮০-১০০ টাকা, কচুর মুখী ৪০-৫০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, আলু ২৫ টাকা ও শসা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস ছোট সাইজের ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে। বাড়তি দামের কারণে সবজি কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে ক্রেতারা। এতে বেচাবিক্রি অনেক কমে গেছে। ফলে দাম বেশি পেলেও লাভ হচ্ছে কম।
অন্যদিকে, ক্রেতারা বলছেন, নানা অজুহাতে অধিকাংশ সবজির দাম বেড়ে গেছে। বাজারে এই অবস্থায় চাপ বাড়ছে মধ্যবিত্তের পকেটে।
মুরগির দাম চড়া দামে স্থিতিশীল রয়েছে । প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়, আর সোনালি মুরগির জন্য ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। এছাড়া লাল লেয়ার কেজি প্রতি ৩২০ টাকা ও দেশি মুরগি ৫৫০-৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
গরু ও খাসির মাংসের দামও অপরিবর্তিত। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৬০-৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা ও ছাগলের মাংস ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কাওরান বাজারে আসা এক বেসরকারি চাকুরীজীবী জয়নাল বলেন, নিত্যপণ্যের যে ঊর্ধ্বগতি তাতে যে বেতন পাই তাতে তিন বেলা খাবার খাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ছে। সপ্তাহে ১ দিন মাছ বা মাংস খাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
বাজারে প্রতিকেজি বোয়াল ৮০০-১০০০ টাকা, কোরাল ৮৫০-৯০০ টাকা, আইড় ৭০০-৮০০ টাকা, চাষের রুই ৩০০-৪৫০ টাকা ও কাতল ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১৮০-২২০ টাকা, চাষের পাঙাশ ২০০ টাকা, চাষের ট্যাংরা ৫৫০-৬০০ টাকা, এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা ও শিং ৪০০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।






















