ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৪৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫ ৫৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১১ অক্টোবর। আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস। সারা বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও যথাযোগ্য উদ্দীপনার সাথে পালিত হচ্ছে দিবসটি।

নারীর জীবনের প্রতিটি ধাপেই প্রতিবন্ধকতার গল্প লুকিয়ে আছে। শত বাধা পেরিয়ে কেউ যখন কর্মক্ষেত্রে সফল হয়, তখনও বৈষম্যের ছায়া তাকে তাড়া করে ফেরে। আজও নারীদের মানসিকভাবে দুর্বল মনে করা হয়, ফলে প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও তারা প্রাপ্য মর্যাদা পান না।

যৌতুক, এসিড সন্ত্রাস, ধর্ষণ এখনো আমাদের সমাজের কলঙ্ক। কিছু অপরাধীর বিচার হলেও বেশির ভাগই রয়ে যায় আইনের ফাঁক-ফোকরে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, মর্যাদা, ভালোবাসা, সব ক্ষেত্রেই বঞ্চিত কন্যাশিশুরা। শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর বহু দেশেই প্রতিনিয়ত তারা অবহেলার শিকার।

মানবকল্যাণে নারী-পুরুষ উভয়ের অবদান অনস্বীকার্য। তাই সব শিশুর মতো কন্যাশিশুরও সমানভাবে বেড়ে ওঠার অধিকার আছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, আমাদের সমাজে তাদের জন্য বাইরের পৃথিবী কতটা নিরাপদ? প্রতিদিন খবরের কাগজে প্রকাশিত হয় নির্যাতন, নিপীড়নের ভয়াবহ চিত্র। পরিবার ও সমাজ, দুই স্তরেই তাদের ওপর চলে নিপীড়নের নানা রূপ।

২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথম পালিত হয় আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রতিবছর দিনটি পালন করে আসছে যথাযোগ্য মর্যাদায়। কন্যাশিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, আইনি সহায়তা, ন্যায়ের অধিকার ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরিই এ দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য।

২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর কানাডার প্রস্তাবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরের বছর, অর্থাৎ ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো বিশ্বজুড়ে দিনটি পালন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস আজ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৪৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

১১ অক্টোবর। আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস। সারা বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও যথাযোগ্য উদ্দীপনার সাথে পালিত হচ্ছে দিবসটি।

নারীর জীবনের প্রতিটি ধাপেই প্রতিবন্ধকতার গল্প লুকিয়ে আছে। শত বাধা পেরিয়ে কেউ যখন কর্মক্ষেত্রে সফল হয়, তখনও বৈষম্যের ছায়া তাকে তাড়া করে ফেরে। আজও নারীদের মানসিকভাবে দুর্বল মনে করা হয়, ফলে প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও তারা প্রাপ্য মর্যাদা পান না।

যৌতুক, এসিড সন্ত্রাস, ধর্ষণ এখনো আমাদের সমাজের কলঙ্ক। কিছু অপরাধীর বিচার হলেও বেশির ভাগই রয়ে যায় আইনের ফাঁক-ফোকরে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, মর্যাদা, ভালোবাসা, সব ক্ষেত্রেই বঞ্চিত কন্যাশিশুরা। শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর বহু দেশেই প্রতিনিয়ত তারা অবহেলার শিকার।

মানবকল্যাণে নারী-পুরুষ উভয়ের অবদান অনস্বীকার্য। তাই সব শিশুর মতো কন্যাশিশুরও সমানভাবে বেড়ে ওঠার অধিকার আছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, আমাদের সমাজে তাদের জন্য বাইরের পৃথিবী কতটা নিরাপদ? প্রতিদিন খবরের কাগজে প্রকাশিত হয় নির্যাতন, নিপীড়নের ভয়াবহ চিত্র। পরিবার ও সমাজ, দুই স্তরেই তাদের ওপর চলে নিপীড়নের নানা রূপ।

২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথম পালিত হয় আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রতিবছর দিনটি পালন করে আসছে যথাযোগ্য মর্যাদায়। কন্যাশিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, আইনি সহায়তা, ন্যায়ের অধিকার ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরিই এ দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য।

২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর কানাডার প্রস্তাবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরের বছর, অর্থাৎ ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো বিশ্বজুড়ে দিনটি পালন করা হয়।