ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিল-জলাশয়ে অস্থায়ী হাঁসের খামার বেকার যুবকদের, মাসে আয় লাখ টাকা

এস এম শরিফুল ইসলাম, নড়াইল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:১০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫ ১০০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নড়াইলের সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের শোলপুরসহ আশপাশের বিল এলাকায় হাঁস পালন করে ভাগ্যবদল করছেন বেকার যুবকরা। বর্ষায় পানিভরা বিল-জলাশয়কে কাজে লাগিয়ে অস্থায়ী খামার গড়ে তুলেছেন যুবকরা। হাঁসের ডিম বিক্রি করে প্রতিদিন আয় করছেন হাজার হাজার টাকা।

narail pic 14

রোববার (২৬ আগস্ট) বিকালে সরজমিনে শোলপুর গ্রামে গেলে হাঁ খামারি বেকার যুবক হাদিউজ্জামান বলেন,প্রথম মাত্র ২০০টি হাঁস নিয়ে খামার শুরু করে ছিলাম। বর্তমানে আমার খামারে ৫০০টি হাঁস রয়েছে। প্রতিদিন ৪০০টি হাঁসে ডিম পাড়ে মাসে আয় হয় প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার। ডিম পাড়া শেষে হাঁস বিক্রি করলে বাড়তি আয় হবে আমার প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা। দশম শ্রেণির ছাত্র জাহিদ হাসান শেখ লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজেই গড়ে তুলেছেন একটি হাঁসের খামার। বর্তমানে তার খামারে রয়েছে ২৫০টি হাঁস। প্রতিদিন ডিম বিক্রি করে আয় করেন প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা মত? তবে মাসে আয় তার প্রায় ৫০ হাজার টাকা। শুধু শোলপুর বিল নয়,বড়েন্দার বিল, ইছামতী বিল, দুধপাতাল বিলসহ অন্তত ১২টি বিলের মধ্যে ১৫০ জনের বেশি বেকার যুবক হাঁস পালন করছেন। বর্ষাকালে ধান ক্ষেতে পানি জমে থাকায় হাঁস পালন সহজ ও লাভ জনক হয়ে উঠেছে এলাকায়।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্র জানা গেছে, জেলায় বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে ৩০০টি হাঁসের খামার রয়েছে। এসব খামারে ক্যামবেল,ইন্ডিয়ান রানার ও চায়না জাতের মোট ৩ লাখ ৫১ হাজারের মত হাঁস পালন করছে। এ জেলায় বছরে উৎপাদিত হয় সাড়ে তিন কোটি ডিম।

নড়াইল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সিদ্দীকুর রহমান বাংলা টাইমসকে জানান,বিল অঞ্চলে হাঁস পালনে বেকার যুবক খামারিরা লাভবান হচ্ছে। হাঁসের খাবারের জন্য বাড়তি খরচ কম লাগছে। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগ বেকার যুবক খামারিদের প্রশিক্ষণ, ভ্যাকসিন ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে থাকেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিল-জলাশয়ে অস্থায়ী হাঁসের খামার বেকার যুবকদের, মাসে আয় লাখ টাকা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:১০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

নড়াইলের সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের শোলপুরসহ আশপাশের বিল এলাকায় হাঁস পালন করে ভাগ্যবদল করছেন বেকার যুবকরা। বর্ষায় পানিভরা বিল-জলাশয়কে কাজে লাগিয়ে অস্থায়ী খামার গড়ে তুলেছেন যুবকরা। হাঁসের ডিম বিক্রি করে প্রতিদিন আয় করছেন হাজার হাজার টাকা।

narail pic 14

রোববার (২৬ আগস্ট) বিকালে সরজমিনে শোলপুর গ্রামে গেলে হাঁ খামারি বেকার যুবক হাদিউজ্জামান বলেন,প্রথম মাত্র ২০০টি হাঁস নিয়ে খামার শুরু করে ছিলাম। বর্তমানে আমার খামারে ৫০০টি হাঁস রয়েছে। প্রতিদিন ৪০০টি হাঁসে ডিম পাড়ে মাসে আয় হয় প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার। ডিম পাড়া শেষে হাঁস বিক্রি করলে বাড়তি আয় হবে আমার প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা। দশম শ্রেণির ছাত্র জাহিদ হাসান শেখ লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজেই গড়ে তুলেছেন একটি হাঁসের খামার। বর্তমানে তার খামারে রয়েছে ২৫০টি হাঁস। প্রতিদিন ডিম বিক্রি করে আয় করেন প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা মত? তবে মাসে আয় তার প্রায় ৫০ হাজার টাকা। শুধু শোলপুর বিল নয়,বড়েন্দার বিল, ইছামতী বিল, দুধপাতাল বিলসহ অন্তত ১২টি বিলের মধ্যে ১৫০ জনের বেশি বেকার যুবক হাঁস পালন করছেন। বর্ষাকালে ধান ক্ষেতে পানি জমে থাকায় হাঁস পালন সহজ ও লাভ জনক হয়ে উঠেছে এলাকায়।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্র জানা গেছে, জেলায় বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে ৩০০টি হাঁসের খামার রয়েছে। এসব খামারে ক্যামবেল,ইন্ডিয়ান রানার ও চায়না জাতের মোট ৩ লাখ ৫১ হাজারের মত হাঁস পালন করছে। এ জেলায় বছরে উৎপাদিত হয় সাড়ে তিন কোটি ডিম।

নড়াইল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সিদ্দীকুর রহমান বাংলা টাইমসকে জানান,বিল অঞ্চলে হাঁস পালনে বেকার যুবক খামারিরা লাভবান হচ্ছে। হাঁসের খাবারের জন্য বাড়তি খরচ কম লাগছে। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগ বেকার যুবক খামারিদের প্রশিক্ষণ, ভ্যাকসিন ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে থাকেন।