ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভেদাভেদহীন সমাজ গঠনে কাজ করছে সরকার — পার্বত্য মন্ত্রী

আহমদ বিলাল খান 
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্য আরও শক্তিশালী হবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে সমাজে কোনো ধরনের ভেদাভেদ বা বৈষম্যের স্থান থাকবে না। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভিন্নতা সত্ত্বেও সকল মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শান্তি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একসঙ্গে বসবাস করতে পারবে।

রোববার রাতে রাজধানীর বাসাবোস্থ ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে আয়োজিত এক বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে উপস্থিত ভিক্ষু-ভান্তে ও ভক্তবৃন্দের উদ্দেশে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মন্ত্রী দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও জনগণের কল্যাণ কামনায় অনুষ্ঠিত প্রার্থনায় অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের ঘোষিত ৩১ দফার ম্যানিফেস্টো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে কোনো ভেদাভেদ বা বৈষম্যের স্থান থাকবে না। সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একসাথে বসবাস করবে। তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারের এই ঘোষণাকে সর্বান্তকরণে মেনে চলব এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।

বৌদ্ধ ধর্মের মূল বাণী ও জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, বৌদ্ধ ধর্ম শান্তি, মৈত্রী ও মানবতার শিক্ষা দেয়। পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যে যে বন্ধন রয়েছে তা আরও দৃঢ় হোক। ভিক্ষু ভান্তেদের প্রার্থনা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে দেশের উন্নতি, শান্তি ও জনগণের কল্যাণে সরকারের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে আসার দীর্ঘদিনের ইচ্ছার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানান।

বিশেষ এই প্রার্থনা অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মৈত্রী চাকমা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধকৃষ্টি প্রচার সংঘের সহ-সভাপতি সরুপানন্দ ভিক্ষু, ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের উপাধ্যক্ষ আনন্দমিত্র ভান্তে, ধর্মানন্দ ভান্তে, কল্যাণ জ্যোতি ভিক্ষুসহ সংগঠনের মহাসচিব ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, রাঙ্গামাটি জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি মানসমুকুর চাকমা, সুভাষ চন্দ্র চাকমা, রনজিত কুমার বড়ুয়া, অনুপম বড়ুয়া, সুশীল বড়ুয়া ও পার্থ প্রতীম বড়ুয়া অপুসহ বিভিন্ন স্তরের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও ভক্তবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভেদাভেদহীন সমাজ গঠনে কাজ করছে সরকার — পার্বত্য মন্ত্রী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্য আরও শক্তিশালী হবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে সমাজে কোনো ধরনের ভেদাভেদ বা বৈষম্যের স্থান থাকবে না। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভিন্নতা সত্ত্বেও সকল মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শান্তি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একসঙ্গে বসবাস করতে পারবে।

রোববার রাতে রাজধানীর বাসাবোস্থ ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে আয়োজিত এক বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে উপস্থিত ভিক্ষু-ভান্তে ও ভক্তবৃন্দের উদ্দেশে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মন্ত্রী দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও জনগণের কল্যাণ কামনায় অনুষ্ঠিত প্রার্থনায় অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের ঘোষিত ৩১ দফার ম্যানিফেস্টো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে কোনো ভেদাভেদ বা বৈষম্যের স্থান থাকবে না। সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একসাথে বসবাস করবে। তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারের এই ঘোষণাকে সর্বান্তকরণে মেনে চলব এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।

বৌদ্ধ ধর্মের মূল বাণী ও জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, বৌদ্ধ ধর্ম শান্তি, মৈত্রী ও মানবতার শিক্ষা দেয়। পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যে যে বন্ধন রয়েছে তা আরও দৃঢ় হোক। ভিক্ষু ভান্তেদের প্রার্থনা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে দেশের উন্নতি, শান্তি ও জনগণের কল্যাণে সরকারের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে আসার দীর্ঘদিনের ইচ্ছার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানান।

বিশেষ এই প্রার্থনা অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মৈত্রী চাকমা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধকৃষ্টি প্রচার সংঘের সহ-সভাপতি সরুপানন্দ ভিক্ষু, ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের উপাধ্যক্ষ আনন্দমিত্র ভান্তে, ধর্মানন্দ ভান্তে, কল্যাণ জ্যোতি ভিক্ষুসহ সংগঠনের মহাসচিব ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, রাঙ্গামাটি জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি মানসমুকুর চাকমা, সুভাষ চন্দ্র চাকমা, রনজিত কুমার বড়ুয়া, অনুপম বড়ুয়া, সুশীল বড়ুয়া ও পার্থ প্রতীম বড়ুয়া অপুসহ বিভিন্ন স্তরের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও ভক্তবৃন্দ।