ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরী করায় দুই ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা নোয়াখালীতে বিদেশি পিস্তলসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার খুলনায় ৫টি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ নারী আটক রাণীশংকৈলে বসতবাড়ির সিমগাছে কালিম পাখির সংসার, দেখতে ভিড় পাখিপ্রেমীদের ফ্রি চিকিৎসা, চরাঞ্চলে স্বাস্থসেবায় আশার আলো লক্ষ্মীপুর রামগতিতে ভাসমান হাসপাতালে  নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি ফখরুল ইসলামের মায়ের ইন্তেকাল ঈদযাত্রায় যানজটের ঝুঁকি ২০৭ স্থানে, নাজুক দেড় হাজার কিলোমিটার সড়ক চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার ইরানকে গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? নতুন প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর দাবি তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দি দিবস আজ

যশোরে বিএনপি কর্মীকে গুম

ডিআইজি আনিসসহ সাত পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

শহিদুল ইসলাম দইচ, যশোর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৪৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪ ৩১১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যশোরের সাবেক পুলিশ সুপার বর্তমান নৌপুলিশে সংযুক্ত ডিআইজি আনিসুর রহমানসহ স্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যশোরে সদর উপজেলার কিসমত নওয়াপাড়া গ্রামের বিএনপি কর্মী মাসুমকে গুমের অভিযোগেএই মামলা করা হয়।

মঙ্গলবার (২৭ আগষ্ট) দুপুর ১২টায় মাসুমের মামা কুদ্দুস আলী বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম কিবরিয়ার আদালতে এই মামলা দায়ের করেন। বিচারক অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য কোতোয়ালি থানার ওসিকে আদেশ দিয়েছেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী রূহিন বালুজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অপর আসামিরা হলো- যশোর কোতোয়ালি থানার সাবেক ওসি শিকদার আক্কাস আলী, কন্সটেবল সাঈদ, এসআই আবু আনসার, কন্সটেবল হাফিজ, কন্সটেবল অভিজিৎ, কন্সটেবল হাসনাত।

মামলার বিবরণে উল্লেখ, যশোর সদর উপজেলার কিসমত নওয়াপাড়ার মতিউর রহমানের ছেলে মাসুম বিএনপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট তিনি সরকার বিরোধী রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। ওইদিন বাড়ি ফেরার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে এসআই আবু আনসার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে গ্রেফতার করে এবং পুলিশের গাড়িতে উঠায়।

এসময় মাসুমের মামা মামলার বাদী আটকের কারণ জানতে চাইলে তারা জানায়- ‘ও বড় নেতা হয়ে গেছে; ওকে মেরে ফেলা হবে’। পরের দিন থানায় গিয়ে তাকে হাজতে পাওয়া যায়। কিন্তু পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করেনি। তারপর থেকে মাসুমের আর কোন খবর মেলেনি।

অভিযোগে আরও উল্লেখ, মাসুমের স্বজনদের ধারণা তাকে পুলিশ হেফাজতে হত্যার পর গুম করা হয়েছে। তৎকালীন পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান এবং ওসি শিকদার আক্কাস আলীর নির্দেশ মাসুমকে গুম করা হয়েছে। ওই সময় থানায় অভিযোগ দিলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। বর্তমান‌ সময়ে পরিবেশ অনুকূলে আসায় ন্যায় বিচার পেতে আদালতের স্মরণাপন্ন হয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

যশোরে বিএনপি কর্মীকে গুম

ডিআইজি আনিসসহ সাত পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৪৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪

যশোরের সাবেক পুলিশ সুপার বর্তমান নৌপুলিশে সংযুক্ত ডিআইজি আনিসুর রহমানসহ স্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যশোরে সদর উপজেলার কিসমত নওয়াপাড়া গ্রামের বিএনপি কর্মী মাসুমকে গুমের অভিযোগেএই মামলা করা হয়।

মঙ্গলবার (২৭ আগষ্ট) দুপুর ১২টায় মাসুমের মামা কুদ্দুস আলী বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম কিবরিয়ার আদালতে এই মামলা দায়ের করেন। বিচারক অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য কোতোয়ালি থানার ওসিকে আদেশ দিয়েছেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী রূহিন বালুজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অপর আসামিরা হলো- যশোর কোতোয়ালি থানার সাবেক ওসি শিকদার আক্কাস আলী, কন্সটেবল সাঈদ, এসআই আবু আনসার, কন্সটেবল হাফিজ, কন্সটেবল অভিজিৎ, কন্সটেবল হাসনাত।

মামলার বিবরণে উল্লেখ, যশোর সদর উপজেলার কিসমত নওয়াপাড়ার মতিউর রহমানের ছেলে মাসুম বিএনপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট তিনি সরকার বিরোধী রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। ওইদিন বাড়ি ফেরার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে এসআই আবু আনসার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে গ্রেফতার করে এবং পুলিশের গাড়িতে উঠায়।

এসময় মাসুমের মামা মামলার বাদী আটকের কারণ জানতে চাইলে তারা জানায়- ‘ও বড় নেতা হয়ে গেছে; ওকে মেরে ফেলা হবে’। পরের দিন থানায় গিয়ে তাকে হাজতে পাওয়া যায়। কিন্তু পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করেনি। তারপর থেকে মাসুমের আর কোন খবর মেলেনি।

অভিযোগে আরও উল্লেখ, মাসুমের স্বজনদের ধারণা তাকে পুলিশ হেফাজতে হত্যার পর গুম করা হয়েছে। তৎকালীন পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান এবং ওসি শিকদার আক্কাস আলীর নির্দেশ মাসুমকে গুম করা হয়েছে। ওই সময় থানায় অভিযোগ দিলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। বর্তমান‌ সময়ে পরিবেশ অনুকূলে আসায় ন্যায় বিচার পেতে আদালতের স্মরণাপন্ন হয়েছেন।