ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হান্ডিয়ালে পুকুর খননের সময় উদ্ধার ৪ ফুটের বিষ্ণু মূর্তি সংঘাত নয়, দেশ গঠনের রাজনীতি করতে হবে: নার্গিস বেগম তেল নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই, ৯ মার্চ আসছে দুই জাহাজ ধানমন্ডি ৩২-এ ফুল দিতে যাওয়ার পথে চারজন গ্রেপ্তার মাটির নিচে ট্যাংকিতে ১০ হাজার লিটার ডিজেল মজুত, ব্যবসায়ীকে জরিমানা পরিকল্পিত জাকাত ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্য কমানো সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী মীনা আইভিএফ ও প্রাইম ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর ঘোষণা ছাড়াই জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ, ব্যবসায়ীরা উধাও নোয়াখালীতে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরী, দুই ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা নোয়াখালীতে বিদেশি পিস্তলসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

ঝাল বেড়েছে কাঁচামরিচের

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪ ১৭৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে সবজিসহ নিত্যপণ্যের বিভিন্ন দাম। অস্থির হয়ে উঠেছে কাঁচামরিচের বাজার। বেড়েছে পেঁয়াজের দামও। শুক্রবার (২১ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শাক-সবজি, চিনি, চাল, আটা, ডাল ও মাছ। তবে মুরগীর কিছুটা স্বস্তি।

কাঁচামরিচের দাম ঈদের আগে থেকেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিলো ২০০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ১০০ টাকা।

ঈদের আগে ৭৫-৮০ টাকা কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হলেও শুক্রবার (২১ জুন) প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা। খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।যা গত সপ্তাহে ৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিভিন্ন জাতের এবং আমদানি করা রসুন ২২০ থেকে ২৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৭০ টাকায়।

৬০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে আলু। যা এক-দুই সপ্তাহে আগে ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রি হয়। পাকা টমেটোর কেজি ৭০-৮০ টাকা, পেঁপে ৫০-৬০ টাকা, জাত ও মানভেদে বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া করলা ৬০-৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০-৫০ টাকা, বরবটি ৭০-৮০ টাকা ও পটল ৪০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চিচিঙ্গা ৬০-৭০ টাকা কেজি, ঝিঙা ৬০-৭০ টাকা, কচুর লতি ৭০-৮০ টাকা। কচুর মুখী মানভেদে ৮০-১০০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা। আর শসা ৫০-৬০ টাকা ও কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

পাঙ্গাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৩০ টাকা কেজি দরে। আগের দামে বিক্রি হচ্ছে তেলাপিয়া। কই ২৮০-৩০০ টাকার নিচে মিলছে না। আকার ও মানভেদে রুই-কাতলার দাম ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি। শিং মাছ ও বাইলা মাছ প্রতি কেজি ৬০০-৮০০ টাকা।

পোয়া মাছ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০। পাবদা মাছ ৩৫০ থেকে ৫০০, মলা ৫০০, কাচকি মাছ ৬০০, বাতাসি টেংরা ৯০০, অন্য জাতের টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৭০০। পাঁচ মিশালি মাছ ৪০০-৫০০, বাইম মাছ এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ টাকা ও রুপচাঁদার কেজি ১ হাজারে বিক্রি হচ্ছে।

গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৮০-৮০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৯০-২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি ও লেয়ার জাতের মুরগির কেজি ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকা। খাসির মাংস ১১০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝাল বেড়েছে কাঁচামরিচের

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪

সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে সবজিসহ নিত্যপণ্যের বিভিন্ন দাম। অস্থির হয়ে উঠেছে কাঁচামরিচের বাজার। বেড়েছে পেঁয়াজের দামও। শুক্রবার (২১ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শাক-সবজি, চিনি, চাল, আটা, ডাল ও মাছ। তবে মুরগীর কিছুটা স্বস্তি।

কাঁচামরিচের দাম ঈদের আগে থেকেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিলো ২০০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ১০০ টাকা।

ঈদের আগে ৭৫-৮০ টাকা কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হলেও শুক্রবার (২১ জুন) প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা। খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।যা গত সপ্তাহে ৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিভিন্ন জাতের এবং আমদানি করা রসুন ২২০ থেকে ২৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৭০ টাকায়।

৬০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে আলু। যা এক-দুই সপ্তাহে আগে ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রি হয়। পাকা টমেটোর কেজি ৭০-৮০ টাকা, পেঁপে ৫০-৬০ টাকা, জাত ও মানভেদে বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া করলা ৬০-৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০-৫০ টাকা, বরবটি ৭০-৮০ টাকা ও পটল ৪০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চিচিঙ্গা ৬০-৭০ টাকা কেজি, ঝিঙা ৬০-৭০ টাকা, কচুর লতি ৭০-৮০ টাকা। কচুর মুখী মানভেদে ৮০-১০০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা। আর শসা ৫০-৬০ টাকা ও কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

পাঙ্গাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৩০ টাকা কেজি দরে। আগের দামে বিক্রি হচ্ছে তেলাপিয়া। কই ২৮০-৩০০ টাকার নিচে মিলছে না। আকার ও মানভেদে রুই-কাতলার দাম ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি। শিং মাছ ও বাইলা মাছ প্রতি কেজি ৬০০-৮০০ টাকা।

পোয়া মাছ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০। পাবদা মাছ ৩৫০ থেকে ৫০০, মলা ৫০০, কাচকি মাছ ৬০০, বাতাসি টেংরা ৯০০, অন্য জাতের টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৭০০। পাঁচ মিশালি মাছ ৪০০-৫০০, বাইম মাছ এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ টাকা ও রুপচাঁদার কেজি ১ হাজারে বিক্রি হচ্ছে।

গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৮০-৮০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৯০-২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি ও লেয়ার জাতের মুরগির কেজি ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকা। খাসির মাংস ১১০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।