ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরী করায় দুই ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা নোয়াখালীতে বিদেশি পিস্তলসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার খুলনায় ৫টি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ নারী আটক রাণীশংকৈলে বসতবাড়ির সিমগাছে কালিম পাখির সংসার, দেখতে ভিড় পাখিপ্রেমীদের ফ্রি চিকিৎসা, চরাঞ্চলে স্বাস্থসেবায় আশার আলো লক্ষ্মীপুর রামগতিতে ভাসমান হাসপাতালে  নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি ফখরুল ইসলামের মায়ের ইন্তেকাল ঈদযাত্রায় যানজটের ঝুঁকি ২০৭ স্থানে, নাজুক দেড় হাজার কিলোমিটার সড়ক চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার ইরানকে গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? নতুন প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর দাবি তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দি দিবস আজ

আ’ লীগের নেতা সোহরাবসহ ৬ জন কারাগারে

শহিদুল ইসলাম দইচ, যশোর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:০০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ্বাসসহ ৬ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ( ২২ আগষ্ট) যশোর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক মোহাম্মদ সামছুল হক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অপর আসামিরা হলো-তৎকালীন পৌর সচিব শফিকুল আলম লিটু, কাউন্সিলর আহম্মদ আলী খান, কাউন্সিলর তেলায়েত হোসেন, ইজারাদার রফিকুল ইসলাম, ইজাজুল হাসান বাবু।

দু’দকের পিপি অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম জানান, আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে নড়াইল পৌরসভার রূপগঞ্জ সাধারণ হাট ও নড়াইল বাস টার্মিনাল ইজারা দিয়ে ৭ লাখ ৮১ হাজার ২০ টাকা ও একই হাট চার লাখ ৪১ হাজার টাকা আদায় করেন। মোট ১২ লাখ ২২৮০ টাকা পৌরসভায় জমা না দিয়ে তারা তা আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওয়াজেদ আলী গাজী দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ২০০৮ সালের ৭ আগস্ট নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক ওয়াজেদ আলী গাজী পৌর মেয়র সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, কাউন্সিলর, ইঞ্জিনিয়ার সচিবসহ ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি যশোর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্রত্যেককে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাস করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একই সাথে আত্মসাৎকৃত ১২ লাখ ২২৮০ টাকা জরিমানা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের ৬জন পলাতক ছিলেন। উচ্চ আদালতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন না পেয়ে আজ যশোর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আ’ লীগের নেতা সোহরাবসহ ৬ জন কারাগারে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:০০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪

দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ্বাসসহ ৬ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ( ২২ আগষ্ট) যশোর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক মোহাম্মদ সামছুল হক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অপর আসামিরা হলো-তৎকালীন পৌর সচিব শফিকুল আলম লিটু, কাউন্সিলর আহম্মদ আলী খান, কাউন্সিলর তেলায়েত হোসেন, ইজারাদার রফিকুল ইসলাম, ইজাজুল হাসান বাবু।

দু’দকের পিপি অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম জানান, আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে নড়াইল পৌরসভার রূপগঞ্জ সাধারণ হাট ও নড়াইল বাস টার্মিনাল ইজারা দিয়ে ৭ লাখ ৮১ হাজার ২০ টাকা ও একই হাট চার লাখ ৪১ হাজার টাকা আদায় করেন। মোট ১২ লাখ ২২৮০ টাকা পৌরসভায় জমা না দিয়ে তারা তা আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওয়াজেদ আলী গাজী দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ২০০৮ সালের ৭ আগস্ট নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক ওয়াজেদ আলী গাজী পৌর মেয়র সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, কাউন্সিলর, ইঞ্জিনিয়ার সচিবসহ ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি যশোর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্রত্যেককে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাস করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একই সাথে আত্মসাৎকৃত ১২ লাখ ২২৮০ টাকা জরিমানা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের ৬জন পলাতক ছিলেন। উচ্চ আদালতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন না পেয়ে আজ যশোর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।