ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সীমান্তে ‘দালালে’র মাধ্যমে অনুপ্রবেশ, সক্রিয় নারী পাচারকারী চক্র

চট্টগ্রাম ব্যুরো
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১২:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম থেকে ভারতে নারী পাচারকারী চক্র সক্রিয়। এ চক্রের সাথে ভারতের ঝাড়খন্ডের একটি অপরাধী চক্রের যোগাযোগ থাকায় অতি সহজে নারীদের পাচার করে আসছে। বিশেষ করে পোশাক কারখানার নারী শ্রমিকদের ভালো বেতনে ভারতে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে সীমান্ত এলাকার ‘দালালে’র মাধ্যমে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি থানা পুলিশ এই চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতারের পাশাপাশি আরও কয়েকজনের তথ্য পেয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, চাকরি দেয়ার কথা বলে অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো দুই তরুণীকে। এক তরুণী কৌশলে পালিয়ে দেশে চলে আসে। তবে আরেকজন এখনো ‘নিখোঁজ’ রয়েছে। দেশে ফেরা তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চালিয়ে পাচারকারী চক্রটির সন্ধান পাওয়া গেছে।

গত ২৩ জুন রাতে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার চন্দ্রনগর আবাসিক এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। এ সময় গ্রেফতার করা হয় চক্রের মো. তারেককে (৩৪)। তার বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়।

বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি সঞ্জয় কুমার সিনহা জানান, তারেক ছাড়াও চক্রের আরো ৩ সদস্যের নাম-পরিচয় তারা জানতে পেরেছেন। তারা হলো- ঝুমু, পারভিন আক্তার ও আনিছুর রহমান। এর মধ্যে ঝুমু সম্পর্কে তারেকের স্ত্রী।

পুলিশের তথ্যমে, এই চক্রের সাথে ভারতের ঝাড়খণ্ডের একটি অপরাধী চক্রের যোগাযোগ রয়েছে। তারা পরস্পরের যোগসাজশে সীমান্ত এলাকার ‘দালালে’র মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে বিভিন্ন বয়সী নারীদের অনুপ্রবেশ ঘটায়। এরপর ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন হোটেলে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হতো।

পুলিশ আরও জানায়, পাচারের শিকার তরুণী পূর্ব ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের রাজধানী রাঁচি থেকে কোলকাতা হয়ে গত ৬ জুন দেশে পালিয়ে আসে। এরপর ২৩ জুন তিনি চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও তিন-চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সীমান্তে ‘দালালে’র মাধ্যমে অনুপ্রবেশ, সক্রিয় নারী পাচারকারী চক্র

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১২:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

চট্টগ্রাম থেকে ভারতে নারী পাচারকারী চক্র সক্রিয়। এ চক্রের সাথে ভারতের ঝাড়খন্ডের একটি অপরাধী চক্রের যোগাযোগ থাকায় অতি সহজে নারীদের পাচার করে আসছে। বিশেষ করে পোশাক কারখানার নারী শ্রমিকদের ভালো বেতনে ভারতে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে সীমান্ত এলাকার ‘দালালে’র মাধ্যমে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি থানা পুলিশ এই চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতারের পাশাপাশি আরও কয়েকজনের তথ্য পেয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, চাকরি দেয়ার কথা বলে অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো দুই তরুণীকে। এক তরুণী কৌশলে পালিয়ে দেশে চলে আসে। তবে আরেকজন এখনো ‘নিখোঁজ’ রয়েছে। দেশে ফেরা তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চালিয়ে পাচারকারী চক্রটির সন্ধান পাওয়া গেছে।

গত ২৩ জুন রাতে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার চন্দ্রনগর আবাসিক এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। এ সময় গ্রেফতার করা হয় চক্রের মো. তারেককে (৩৪)। তার বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়।

বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি সঞ্জয় কুমার সিনহা জানান, তারেক ছাড়াও চক্রের আরো ৩ সদস্যের নাম-পরিচয় তারা জানতে পেরেছেন। তারা হলো- ঝুমু, পারভিন আক্তার ও আনিছুর রহমান। এর মধ্যে ঝুমু সম্পর্কে তারেকের স্ত্রী।

পুলিশের তথ্যমে, এই চক্রের সাথে ভারতের ঝাড়খণ্ডের একটি অপরাধী চক্রের যোগাযোগ রয়েছে। তারা পরস্পরের যোগসাজশে সীমান্ত এলাকার ‘দালালে’র মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে বিভিন্ন বয়সী নারীদের অনুপ্রবেশ ঘটায়। এরপর ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন হোটেলে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হতো।

পুলিশ আরও জানায়, পাচারের শিকার তরুণী পূর্ব ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের রাজধানী রাঁচি থেকে কোলকাতা হয়ে গত ৬ জুন দেশে পালিয়ে আসে। এরপর ২৩ জুন তিনি চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও তিন-চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।