https://bangla-times.com/
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৮ মার্চ ২০২৪
  • অন্যান্য

সিবিএ নেতাকে মারধর: উত্তেজনা, অভিযুক্ত প্রকৌশলীর প্রত্যাহার দাবি

সোহরাব হোসেন সৌরভ, রাজশাহী
মার্চ ২৮, ২০২৪ ৭:১৯ অপরাহ্ণ । ৭৮ জন
Link Copied!

রাজশাহী চিনিকলের শ্রমিক ইউনিয়নের (সিবিএ) এক নেতাকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চিনিকলে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। অভিযুক্ত প্রকৌশলীকে প্রত্যাহার করা না হলে বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিকরা। তবেঅভিযুক্ত প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

অভিযুক্ত প্রকৌশলী সামিউল ইসলাম রাজশাহী চিনিকলে সহকারী ব্যবস্থাপক (সিভিল) পদে কর্মরত। তিনি গত ২৪ মার্চ চিনিকল সিবিএর সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামকে মারধর করেছেন বলে শ্রমিকদের অভিযোগ।

প্রকৌশলী সামিউল ইসলামের শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার চিনিকলে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা। বিক্ষোভ থেকে তাঁরা দ্রæত সামিউল ইসলামের প্রত্যাহার দাবি করেন। তা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন শ্রমিকেরা। বৃহস্পতিবার সকালে এক ঘন্টা চলে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি চলে।

এদিকে এ ঘটনা তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (ফাইনান্স) লতিফা খাতুনকে কমিটির প্রধান করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) শাহীনূর রহমান, উপমহাব্যবস্থাপক (সম্প্রসারণ) নজরুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপক (উৎপাদন) রুহুল আমিন।

রাজশাহী চিনিকল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জানান, সেলিম রেজা নামের একজন অপারেটরের কোয়ার্টারে পানির সমস্যা সমাধানে কয়েকদিন ধরে সহকারী ব্যবস্থাপক (সিভিল) সামিউল ইসলামের কাছে জানিয়ে আসছিলেন। তাতে সামিউল বিরক্ত হয়ে বলেন, সামনের রোজায় পাইপ ঠিক করে দেয়া হবে। এরপর সেলিম গত ২৪ মার্চ তিনি সামিউল ইসলামের দপ্তরে যান। এতে সামিউল ইসলাম উত্তেজিত হয়ে যান।

রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি কাউকে না জানাতে এমডি আবুল বাসার অনুরোধ করেন। তিনি এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এর পাশাপাশি একটি তদন্ত কমিটি করার কথাও বলেন।

অভিযুক্ত সহকারী ব্যবস্থাপক (সিভিল) সামিউল ইসলাম বলেন, আমি কাউকে মারিনি, বরং শ্রমিকরাই আমাকে মারধর করেছে।

চিনিকলের এমডি আবুল বাসার বলেন, ঘটনাটি নিয়ে দু’পক্ষই লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনা তদন্তে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

নগরীর কাটাখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুর রহমান বলেন, মারধরের অভিযোগে সিবিএ সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।