https://bangla-times.com/
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৬ জুন ২০২৪
  • অন্যান্য

মোদির অভিষেকে থাকবেন ৫ দেশের রাষ্ট্রপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুন ৬, ২০২৪ ৬:০৩ অপরাহ্ণ । ৪৪ জন
Link Copied!

আরও একবার চাঁদের হাট বসতে চলেছে দিল্লিতে। শনিবার (৮ জুন) তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে পারেন নরেন্দ্র মোদি। গোটা ভারত জুড়ে গেরুয়া ঝড় না উঠলেও এই অনুষ্ঠানের জৌলুসে কোনো খামতি রাখা হচ্ছে না। মোদির অভিষেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতাদের।

তবে বলা রাখা ভাল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণের তারিখ পেছাতে পারে। শনিবার (৮ জুন) তার শপথগ্রহণের কথা থাকলেও রোববার (৯ জুন) শপথ নিতে পারেন।

মোদির চারশো পারের লক্ষ্যপূরণ হয়নি। হয়নি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতাও। তবু জোটসঙ্গীদের সাথে নিয়ে ফের সরকার গঠন করছে বিজেপিই। টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসবেন নরেন্দ্র মোদি। আর তার এই সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা।

এই তালিকায় রয়েছেন- ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মালদ্বীপের ‘চিনপন্থী’ প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহে, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোগবে, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন,ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক-সহ আরো অনেকে।

বুধবার (৫ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই সময়ই মুজিবকন্যাকে ভারতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান মোদি।

জানা গেছে, শুক্রবার (৭ জুন) দিল্লিতে পা রাখবেন হাসিনা। এছাড়া শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে নেপালের পুষ্পকমল দাহাল, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহে, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ও মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবিন্দ যুগনাথ।

বিশেষ এই অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ গেছে আমেরিকা ও রাশিয়ার কাছেও।

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এখনই ভারতে আসছেন না। তার বদলে আসতে পারেন আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান। এখন হোয়াইট হাউসে আলোচনা চলছে তারই।

এদিকে মোদির ‘বন্ধু’ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আসছেন কি না সেবিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়। তাকেও ফোনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মোদি।

তবে যে পাঁচ দেশের রাষ্ট্রনেতারা আসছেন তাদের সাথে মোদি বৈঠকে বসবেন কিনা তা এখনো জানা যায়নি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ে ভারতের প্রভাব বা গুরুত্ব কতখানি তা সবার জানা। বিভিন্ন সংঘাতে দিল্লি যেভাবে শান্তির পথ তুলে ধরেছে তা রাষ্ট্রসংঘেও প্রশংসিত হয়েছে।

এর ফলে এখন কমবেশি সব দেশই ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে চাইছে। যার প্রমাণ মোদিকে পাঠানো বিভিন্ন দেশের শুভেচ্ছাবার্তায়। ফলে আগামীদিনে ভারতের সাথে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক সমীকরণ কী হয় সেদিকেই নজর সবার।