https://bangla-times.com/
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৭ মার্চ ২০২৪

বিদ্যাসাগর উদ্যানে বসন্ত উৎসব ও বইমেলা

শম্পা দাস ও সমরেশ রায়, কলকাতা
মার্চ ৭, ২০২৪ ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ । ৪৬ জন
Link Copied!

৪০ নম্বর ওয়ার্ডের পৌর প্রতিনিধি সুপর্না দত্তের পরিচালনায় ও উদ্যোগে এবং পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গ্ৰিল্ড এর সহযোগিতায় বুধবার (৬ই মার্চ) বিকেল পাঁচটায় বইমেলার সূচনা হলো। মেলা চলবে ১২ই মার্চ পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর দুটো থেকে রাত্রি আটটা, মেলায় রয়েছে ষাটটি প্রকাশনী ও তাহাদের স্টল।

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ মালা রায়, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, প্রচেতা গুপ্ত, হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত ,অমর মিত্র ,জয়ন্ত দে, সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় ,দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য, বিনতা রায়চৌধুরী সৈকত মুখোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের কর্ণধার ত্রিদিব কুমার চট্টোপাধ্যায় ও সুধাংশু শেখর দে মহাশয়।।

বই মেলা শুভ সূচনা হওয়ার আগে,কলেজ স্কোয়ারের পার্কটিতে বসন্ত উৎসবের একটি নৃত্য দিয়ে পরি দর্শনের পর, প্রদীপ প্রজ্জালনের মাধ্যমে এই বইমেলার শুভ সূচনা। প্রদীপ প্রজননের মাধ্যমে শুভ সূচনা করেন সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়।

এরপর একে একে অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে ও পুষ্পস্তবক দিয়ে বরণ করে নেন, এরপর ছোটদের একটি গণসংগীত পরিবেশিত হয়। এই বছর থেকে শুরু হল প্রথম বসন্ত উৎসব ও বইমেলা।

বইমেলায় রয়েছে ষাটটি ব ইয়ের স্টল, প্রতিটি স্টলে প্রকাশনীদের নতুন নতুন বই দেখতে পাবেন, শুধু তাই নয় বইপ্রেমীদের জন্য থাকছে টুয়েন্টি পার্সেন্ট ডিসকাউন্ট।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এই বইমেলা শুরু হলো, তিনি বহুদিন ধরে চেয়েছিলেন কলেজটির বই পড়ায় এমন একটি বইমেলা হোক যেখানে বইপ্রেমীরা এসে তাদের নতুন বই সংগ্রহ করতে পারে, সেই প্রচেষ্টাকে সফল করার জন্য, ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের সুপর্ণা দত্তের পরিচালনায় আজ বইমেলা সফল হলো, একটু অন্য ধরনের বইমেলা। যেখানে নৃত্যের মধ্য দিয়ে রঙিন আবিরে সেজে উঠল এই বইমেলা, বসন্তুকে আহ্বান জানিয়ে আজকের শুভ সূচনা।

শুধু একটা কথাই বলবো এই বইমেলা প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে, আপনারা সবাই বই পড়ুন কবি-সাহিত্যিকদের উৎসাহিত করুন, শুধু মোবাইলে বা ফেসবুকে থাকলেই হবে না, আপনাদের উৎসাহ ও বই পড়া নতুন প্রজন্মের ও সাহিত্যিকদের এগিয়ে চলার পথ দেখাবে, তোর সাথে প্রকাশনীরাও উৎসাহ পাবে, নতুন বই তৈরি করতে এবং এইভাবে মেলায় উপহার দিতে।

এই বইমেলা উপলক্ষে থাকছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ছোট ছোট শিশুদের হাতে রং ও পিচকিরি তুলে দেওয়া, সবাইকে আগাম বসন্তের শুভেচ্ছা রইল।