ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘চাল ছাঁটাই ও পলিশ বন্ধে আইন করা হয়েছে’

নওগাঁ প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০২৪ ১৫২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, চাউলের যে পুষ্টিগুন থাকে অতিরিক্ত ছাঁটাইয় ও পলিশ কারণে নষ্ট হয়ে যায়। তাই চাল ছাঁটাইয়ের সময় রাইস মিলে পলিশ বন্ধে আইন করা হয়েছে। আমন মৌসুম থেকে কার্যকর করা হবে।

বৃহষ্পতিবার (২ মে) দুপুরে নওগাঁয় সার্কিট হাউজে বোরো ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান উপলক্ষে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় খাদ্যমন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত চাল ছাঁটাইয়ের কারণে ১৬ থেকে ২০ লাখ মেট্রিক টন চাল নষ্ট হয়। বাজারে বস্তার গায়ে দাম ও জাত আসতে শুরু করেছে। মিল মালিকদের কাছে ধানের জাতের নমুনাসহ নাম ও উৎপাদিত চাল কেমন হবে তার নমুনা পাঠানো হয়েছে।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সরকারি খাদ্য গুদামে ধান দিতে গিয়ে কেউ যেন হয়রানি না হয় সেটা নিশ্চিত করা হবে। হয়রানির অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধানের সংগ্রহ যেসব কারনে সফল হয়না সেগুলোকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আশা করা যায় এ বছর চালের ন্যায় ধান সংগ্রহও সফল হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‘চাল ছাঁটাই ও পলিশ বন্ধে আইন করা হয়েছে’

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০২৪

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, চাউলের যে পুষ্টিগুন থাকে অতিরিক্ত ছাঁটাইয় ও পলিশ কারণে নষ্ট হয়ে যায়। তাই চাল ছাঁটাইয়ের সময় রাইস মিলে পলিশ বন্ধে আইন করা হয়েছে। আমন মৌসুম থেকে কার্যকর করা হবে।

বৃহষ্পতিবার (২ মে) দুপুরে নওগাঁয় সার্কিট হাউজে বোরো ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান উপলক্ষে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় খাদ্যমন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত চাল ছাঁটাইয়ের কারণে ১৬ থেকে ২০ লাখ মেট্রিক টন চাল নষ্ট হয়। বাজারে বস্তার গায়ে দাম ও জাত আসতে শুরু করেছে। মিল মালিকদের কাছে ধানের জাতের নমুনাসহ নাম ও উৎপাদিত চাল কেমন হবে তার নমুনা পাঠানো হয়েছে।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সরকারি খাদ্য গুদামে ধান দিতে গিয়ে কেউ যেন হয়রানি না হয় সেটা নিশ্চিত করা হবে। হয়রানির অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধানের সংগ্রহ যেসব কারনে সফল হয়না সেগুলোকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আশা করা যায় এ বছর চালের ন্যায় ধান সংগ্রহও সফল হবে।