https://bangla-times.com/
ঢাকামঙ্গলবার , ৪ জুন ২০২৪
  • অন্যান্য

এমপি আনার হত্যা/ সিয়াম নেপালে গ্রেপ্তার, জানালেন ডিবির হারুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুন ৪, ২০২৪ ৫:৪১ অপরাহ্ণ । ৩০ জন
Link Copied!

ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজীম হত্যায় সন্দেহভাজন মো. সিয়াম হোসেন নেপালে গ্রেপ্তার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ। মঙ্গলবার (৪ জুন) নেপাল থেকে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন : এমপি আনার হত্যা/ আসামিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অনুসন্ধান করবে ডিবি

এ সময় হারুন অর রশীদ বলেন, এমপি আনার হত্যায় সিয়াম নেপালে গ্রেফতার হয়েছেন। তাকে ভারতীয় পুলিশও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়। তবে তাকে কোন দেশের হাতে দেয়া হবে সেটা নেপাল পুলিশের উপরে নির্ভর করছে।

এর আগে চলতি বছরের ১২ মে চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে নিখোঁজ হন এমপি আনোয়ারুল আজীম। ২২ মে কলকাতা পুলিশ জানায়, এমপি আজীম হত্যার শিকার হয়েছেন। একই দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানও জানান, এমপি আজীমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় একই দিন এমপি আজীমের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন : সাবেক আইজিপি বেনজীরের ৩ কালো হাত

হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরুর পর থেকে প্রকাশ্যে আসতে থাকে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তবে আজীমের মরদেহ এখনো পাওয়া যায়নি। এই পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে দুই দেশের পুলিশ। এরমধ্যে ডিবির হেফাজতে আছে আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, তানভীর ভূঁইয়া ও সেলেস্তা রহমান। আর কলকাতা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে কসাই জিহাদ হাওলাদার।

এ ঘটনায় আরও দুই সন্দেহভাজন আক্তারুজ্জামান শাহীন ও সিয়াম হোসেন। ধারণা করা হচ্ছে মার্কিন নাগরিক আক্তারুজ্জামান আমেরিকা পালিয়েছেন। গত রোববার সিয়ামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হকের আদালত।

কলকাতা পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার কসাই জিহাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এমপি আজীমের মরদেহ থেকে হাড় ও মাংস আলাদা করার কাজটি মূলত জিহাদ করেছে।

তদন্তের প্রয়োজনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে একটি দল সম্প্রতি কলকাতায় যায়। এরপর ২৮ মে বিকেলে কলকাতার নিউটাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনের সেপটিক ট্যাংক থেকে ৪ কেজি মাংসের টুকরা উদ্ধার করে ডিবি ও কলকাতা সিআইডির যৌথ দল। সেই সময় ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ জানিয়েছিলেন, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটি এমপি আজীমের দেহাবশেষ। ফরেনসিক টেস্টের মাধ্যমে পরে জানা যাবে এটি আনারের দেহাংশ কিনা।

অন্যদিকে, আরেক অভিযুক্ত সেলেস্তি রহমান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।