ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইছামতিতে গোসলে গিয়ে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

মাসুদ রানা, পাবনা
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাবনার সাঁথিয়ায় ইছামতি নদীতে গোসল করতে গিয়ে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম-জাবের হোসেন শান্ত(২০)।

সে রাজশাহী হেলথকেয়ার নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের ছাত্র। বৃহস্পতিবার (২০জুন) বিকেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শান্তর দুলাভাই জুলহাস হোসেন জানান, শান্তর পৈত্রিক বাড়ি গাগড়াখালি হলেও তারা বসবাস করতো নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া। বুধবার (১৯ জুন) শান্ত গাগড়াখালি গ্রামে তার চাচা শাহজাহান আলীর বাড়িতে চাচাতো বোনের বিয়েতে এসেছিলো।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুর ১টার দিকে পার্শ্ববর্তী চোমরপুর গ্রামে ইছামতি নদীতে শান্ত গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে যায়। স্বজনরা অনেক খোাঁজাখুজির একপর্যায়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এরপর অবস্থার অবনতি হলে তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

নিহত শান্তর বাবা নাটোর পল্লী বিদ্যুতে অফিস সহায়ক পদে চাকরি করতেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইছামতিতে গোসলে গিয়ে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

পাবনার সাঁথিয়ায় ইছামতি নদীতে গোসল করতে গিয়ে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম-জাবের হোসেন শান্ত(২০)।

সে রাজশাহী হেলথকেয়ার নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের ছাত্র। বৃহস্পতিবার (২০জুন) বিকেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শান্তর দুলাভাই জুলহাস হোসেন জানান, শান্তর পৈত্রিক বাড়ি গাগড়াখালি হলেও তারা বসবাস করতো নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া। বুধবার (১৯ জুন) শান্ত গাগড়াখালি গ্রামে তার চাচা শাহজাহান আলীর বাড়িতে চাচাতো বোনের বিয়েতে এসেছিলো।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুর ১টার দিকে পার্শ্ববর্তী চোমরপুর গ্রামে ইছামতি নদীতে শান্ত গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে যায়। স্বজনরা অনেক খোাঁজাখুজির একপর্যায়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এরপর অবস্থার অবনতি হলে তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

নিহত শান্তর বাবা নাটোর পল্লী বিদ্যুতে অফিস সহায়ক পদে চাকরি করতেন।