ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণভোট অধ্যাদেশ সংসদে উঠছে না, ১২ এপ্রিল বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫৬:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা – গণভোট অধ্যাদেশ সংসদে অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে না বলে জানিয়েছে বিএনপি। ফলে সংবিধান অনুযায়ী আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভবিষ্যতে এ অধ্যাদেশের আর কোনো ব্যবহার নেই—এই যুক্তিতে এটি পাস না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এতে ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের বৈধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠবে না বলে জানিয়েছে সরকারি দল।

মতবিরোধে জামায়াত

সরকারের এই সিদ্ধান্তে ভিন্নমত (নোট অব ডিসেন্ট) দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নেতারা বলছেন, গণভোটে পুরো জাতি অংশ নিয়েছে, তাই এ অধ্যাদেশ বাতিল করা উচিত নয় এবং এর রায় বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

১৩৩ অধ্যাদেশে বিভক্তি

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে অন্তত ১৫টি বিষয়ে সরকারি দল ও বিরোধীদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—মানবাধিকার কমিশন, বিচারপতি নিয়োগ, গুম প্রতিরোধ, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ কমিশন।

সরকারি দল এসব অধ্যাদেশে পরিবর্তন আনতে চাইলেও জামায়াতসহ বিরোধী পক্ষ আপত্তি জানিয়েছে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ২ এপ্রিল

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, কোন অধ্যাদেশ সংসদে তোলা হবে, কোনটি সংশোধন করা হবে এবং কোনটি বাতিল হবে—তা ২ এপ্রিল সংসদে উপস্থাপিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা যাবে।

সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদন না পেলে অধ্যাদেশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গণভোট অধ্যাদেশ সংসদে উঠছে না, ১২ এপ্রিল বাতিল

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫৬:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

ঢাকা – গণভোট অধ্যাদেশ সংসদে অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে না বলে জানিয়েছে বিএনপি। ফলে সংবিধান অনুযায়ী আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভবিষ্যতে এ অধ্যাদেশের আর কোনো ব্যবহার নেই—এই যুক্তিতে এটি পাস না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এতে ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের বৈধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠবে না বলে জানিয়েছে সরকারি দল।

মতবিরোধে জামায়াত

সরকারের এই সিদ্ধান্তে ভিন্নমত (নোট অব ডিসেন্ট) দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নেতারা বলছেন, গণভোটে পুরো জাতি অংশ নিয়েছে, তাই এ অধ্যাদেশ বাতিল করা উচিত নয় এবং এর রায় বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

১৩৩ অধ্যাদেশে বিভক্তি

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে অন্তত ১৫টি বিষয়ে সরকারি দল ও বিরোধীদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—মানবাধিকার কমিশন, বিচারপতি নিয়োগ, গুম প্রতিরোধ, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ কমিশন।

সরকারি দল এসব অধ্যাদেশে পরিবর্তন আনতে চাইলেও জামায়াতসহ বিরোধী পক্ষ আপত্তি জানিয়েছে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ২ এপ্রিল

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, কোন অধ্যাদেশ সংসদে তোলা হবে, কোনটি সংশোধন করা হবে এবং কোনটি বাতিল হবে—তা ২ এপ্রিল সংসদে উপস্থাপিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা যাবে।

সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদন না পেলে অধ্যাদেশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।