ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘদিন কাশি—কোভিড নয়, কী কারণ বলছেন চিকিৎসকরা

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জ্বর না থাকলেও দীর্ঘদিন কাশি কমছে না—এমন সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। সাধারণত ভাইরাল জ্বর বা ঠান্ডাজনিত কাশি ৭–১০ দিনের মধ্যে সেরে যায়। কিন্তু এখন অনেকের ক্ষেত্রে কাশি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে, যা নিয়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।

চিকিৎসকদের মতে, এটি সবসময় কোভিড-১৯ নয়। বরং ইনফ্লুয়েঞ্জা, রাইনোভাইরাস সংক্রমণ, এমনকি নিউমোনিয়া বা ব্রঙ্কাইটিস-এর কারণেও এমন কাশি হতে পারে।

🔍 কেন কমছে না কাশি?

জ্বর সেরে যাওয়ার পর অনেক সময় শ্বাসনালিতে শ্লেষ্মা (মিউকাস) জমে থাকে, যা কাশির কারণ হয়। এছাড়া ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণে শ্বাসনালি অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। ধুলাবালি, ফুলের রেণু বা গন্ধ থেকেও কাশি বাড়তে পারে। এই অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয় ব্রঙ্কিয়াল হাইপার-রেসপন্সিভনেস।

রাইনোভাইরাস সংক্রমণে শ্বাসনালির স্নায়ু সংবেদনশীল হয়ে যায়, ফলে সামান্য ঠান্ডা বা অ্যালার্জিতেও শুকনো কাশি দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে শ্বাসনালির সংকোচন (ব্রঙ্কোস্পাজম) থেকেও কাশি বাড়ে।

এছাড়া রেসপিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাস সংক্রমণেও কাশি, গলা ও বুকে ব্যথা হতে পারে—যা শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের ক্ষেত্রেই দেখা যায়।

⚠️ চিকিৎসকদের পরামর্শ

নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক বা কাশির ওষুধ না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা
কাশি ৭ দিনের বেশি স্থায়ী হলে অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে
প্রয়োজন হলে চেস্ট এক্স-রে বা পালমোনারি ফাংশন টেস্ট করাতে হতে পারে

🔴 সতর্ক থাকুন

কাশির সঙ্গে যদি শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা বা অতিরিক্ত দুর্বলতা থাকে, তবে দেরি না করে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দীর্ঘদিন কাশি—কোভিড নয়, কী কারণ বলছেন চিকিৎসকরা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

জ্বর না থাকলেও দীর্ঘদিন কাশি কমছে না—এমন সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। সাধারণত ভাইরাল জ্বর বা ঠান্ডাজনিত কাশি ৭–১০ দিনের মধ্যে সেরে যায়। কিন্তু এখন অনেকের ক্ষেত্রে কাশি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে, যা নিয়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।

চিকিৎসকদের মতে, এটি সবসময় কোভিড-১৯ নয়। বরং ইনফ্লুয়েঞ্জা, রাইনোভাইরাস সংক্রমণ, এমনকি নিউমোনিয়া বা ব্রঙ্কাইটিস-এর কারণেও এমন কাশি হতে পারে।

🔍 কেন কমছে না কাশি?

জ্বর সেরে যাওয়ার পর অনেক সময় শ্বাসনালিতে শ্লেষ্মা (মিউকাস) জমে থাকে, যা কাশির কারণ হয়। এছাড়া ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণে শ্বাসনালি অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। ধুলাবালি, ফুলের রেণু বা গন্ধ থেকেও কাশি বাড়তে পারে। এই অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয় ব্রঙ্কিয়াল হাইপার-রেসপন্সিভনেস।

রাইনোভাইরাস সংক্রমণে শ্বাসনালির স্নায়ু সংবেদনশীল হয়ে যায়, ফলে সামান্য ঠান্ডা বা অ্যালার্জিতেও শুকনো কাশি দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে শ্বাসনালির সংকোচন (ব্রঙ্কোস্পাজম) থেকেও কাশি বাড়ে।

এছাড়া রেসপিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাস সংক্রমণেও কাশি, গলা ও বুকে ব্যথা হতে পারে—যা শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের ক্ষেত্রেই দেখা যায়।

⚠️ চিকিৎসকদের পরামর্শ

নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক বা কাশির ওষুধ না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা
কাশি ৭ দিনের বেশি স্থায়ী হলে অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে
প্রয়োজন হলে চেস্ট এক্স-রে বা পালমোনারি ফাংশন টেস্ট করাতে হতে পারে

🔴 সতর্ক থাকুন

কাশির সঙ্গে যদি শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা বা অতিরিক্ত দুর্বলতা থাকে, তবে দেরি না করে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।