ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সান্তাহারে লাইনচ্যুত ট্রেন

চলছে বগি উদ্ধারের কাজ, যাত্রী পারাপারে বিকল্প ব্যবস্থা

বগুড়া প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৪৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে জংশন এলাকায় ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় উদ্ধার কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৮টা পর্যন্ত লাইনচ্যুত ৯টি বগির মধ্যে ৪টি উদ্ধার করে ঈশ্বরদী পাঠানো হয়েছে। বাকি ৫টি বগি অপসারণের কাজ চলছে।

সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের ইনচার্জ খাতিজা খাতুন জানান, উদ্ধারকাজের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন মেরামতের কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে জংশন ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর আদমদীঘি উপজেলার বাগবাড়ী এলাকায় ট্রেনটির ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই স্থানে রেললাইনের সংস্কার কাজ চলছিল এবং সতর্কতা হিসেবে লাল পতাকা দিয়ে সংকেত দেওয়া ছিল। তবে চালক সেই সংকেত অমান্য করায় দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে অন্তত ৬৬ জন যাত্রী আহত হন। তাদের নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল ও স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

দুর্ঘটনার প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা পর পাবনা ও দিনাজপুর থেকে দুটি উদ্ধারকারী ট্রেন এসে অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর এখন পর্যন্ত ৪টি কোচ সরানো সম্ভব হয়েছে।

এ ঘটনায় উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ‘ট্রান্সশিপমেন্ট’ পদ্ধতি চালু করেছে। এতে যাত্রীদের দুর্ঘটনাস্থল পার হতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পথ হেঁটে বা বিকল্প বাহনে অতিক্রম করতে হচ্ছে।

ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সান্তাহারে লাইনচ্যুত ট্রেন

চলছে বগি উদ্ধারের কাজ, যাত্রী পারাপারে বিকল্প ব্যবস্থা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৪৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে জংশন এলাকায় ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় উদ্ধার কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৮টা পর্যন্ত লাইনচ্যুত ৯টি বগির মধ্যে ৪টি উদ্ধার করে ঈশ্বরদী পাঠানো হয়েছে। বাকি ৫টি বগি অপসারণের কাজ চলছে।

সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের ইনচার্জ খাতিজা খাতুন জানান, উদ্ধারকাজের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন মেরামতের কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে জংশন ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর আদমদীঘি উপজেলার বাগবাড়ী এলাকায় ট্রেনটির ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই স্থানে রেললাইনের সংস্কার কাজ চলছিল এবং সতর্কতা হিসেবে লাল পতাকা দিয়ে সংকেত দেওয়া ছিল। তবে চালক সেই সংকেত অমান্য করায় দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে অন্তত ৬৬ জন যাত্রী আহত হন। তাদের নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল ও স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

দুর্ঘটনার প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা পর পাবনা ও দিনাজপুর থেকে দুটি উদ্ধারকারী ট্রেন এসে অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর এখন পর্যন্ত ৪টি কোচ সরানো সম্ভব হয়েছে।

এ ঘটনায় উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ‘ট্রান্সশিপমেন্ট’ পদ্ধতি চালু করেছে। এতে যাত্রীদের দুর্ঘটনাস্থল পার হতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পথ হেঁটে বা বিকল্প বাহনে অতিক্রম করতে হচ্ছে।

ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।