বললেন ড. আলী রিয়াজ
সংস্কার না হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে পারে

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫ ২৯ বার পড়া হয়েছে
‘সংস্কার শুধু সরকারের ইচ্ছার বিষয় নয়, এটি রাজনৈতিক দল এবং নাগরিকদের বহুল আকাক্সিক্ষত বিষয়। তাই সংস্কারের বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা ও নাগরিক সনদ প্রণয়ন করতে হলে নাগরিকদের সোচ্চার হতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন ভূতপূর্ব সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রিয়াজ।
আরও পড়ুন :বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের সাজা সর্বোচ্চ ৭ বছর
তিনি বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) নাগরিক সংগঠন সুজনÑসুশাসনের জন্য নাগরিক-এর উদ্যোগে ‘রাষ্ট্র সংস্কারে রাজনৈতিক ঐকমত্য ও নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। সকাল সাড়ে ১০টায় সিরডাপ-এর এ টি এম শামছুল হক অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় ড. আলী রিয়াজ তাঁর বক্তব্যে বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নটি উঠার কারণ হলো, বিগত ১৫ বছরে বাংলাদেশে ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও ভঙ্গুর করে ফেলা হয়েছে। স্বাধীনতার পর বিগত ৫৪ বছরে কোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আমরা দেখেছি, বিগত ১৫ বছরে বিচার বিভাগকে কীভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন না হলে, প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে পুনগর্ঠিত করা না হলে সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠিত হলেও ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা ফিরে আসতে পারে। তাই বাংলাদেশে ভবিষ্যতে স্বৈরতন্ত্রের পুনরুত্থানের ঠেকাতে হলে কাঠামোগত পরিবর্তন করতে হবে, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হলে সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।’
আরও পড়ুন :এবার ঈদে টানা ৯ দিনের সরকারি ছুটি
ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘শেখ হাসিনা দেশে স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই ব্যবস্থায় পৌঁছাতে তার ১৫ বছর লেগেছে। তিনি নির্বাচন ব্যবস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ভেঙে দিয়েছিলেন। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে কারণে শেখ হাসিনার পলায়নের পর আমাদের রাষ্ট্র কাঠামোকে নতুন করে গড়ে তোলার জন্য এক অপূর্ব সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ লক্ষ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন কাজ করছে, যাতে একটি ‘নাগরিক সনদ’ তৈরি করা যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকারের তিনটি ম্যান্ডেট। একটি হলো, স্বৈরাচারী ব্যবস্থা যাতে আবার ফিরে আসতে না পারে সেজন্য কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করা, দ্বিতীয়ত মানবতা বিরোধী অপরাধে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা, তৃতীয়ত একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন আয়োজন করা। এগুলো একইসঙ্গে হতে পারে, কোনোটি অপরের সঙ্গে সংঘর্ষিক নয়।’
আরও পড়ুন :পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্তই থাকছে প্রাথমিক শিক্ষা
বিচারপতি এমদাদুল হক বলেন, ‘বিচার বিভাগ নিয়ে অতীতে বিভিন্ন প্রশ্ন ও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন তার প্রতিবেদনে এসব বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করেছে এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ তুলে ধরেছে। আমি মনে করি, সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। কিন্তু এখন সময় এসেছে সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের।’
ড. দিলারা চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ সত্যিকার অর্থেই ধর্মনিরপেক্ষ। এখানে সুফিবাদের মাধ্যমে ইসলামের প্রচার ও প্রসার হয়েছে। কিন্তু তারপর সংস্কার কমিশনের জরিপে ৮৫ শতাংশ মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতার বিপক্ষে মতামত দিয়েছে। এর অন্যতম কারণ হলো জর্জ ডবিøউ বুশের সময়ে শুরু হওয়া ওয়ার অন টেরর বা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিচিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনেক সমস্যা থাকলেও রাজনৈতিক দলের মাধ্যমেই রাষ্ট্র পরিচালিত হতে হবে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার ও দলের অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। তাই যৌক্তিক কতগুলো সংস্কার করে দ্রæততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।’
আরও পড়ুন :সূচনা ফাউন্ডেশনের নামে টাকা আত্মসাত, পুতুলের বিরুদ্ধে মামলা
আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, ‘বাংলাদেশের মূল সমস্যা হলো পারস্পরিক আস্থা না থাকা। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না। এক দল মনে করে অন্য দল ক্ষমতায় আসলে আমাদের ওপর জুলুম করবে। তাই আমাদেরকে সামনের দিকে এগোতে হলে সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’ বিভিন্ন কমিশনের সংস্কার প্রস্তাব সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হওয়ার বিধান না রাখা, সীমানা নির্ধারণের জন্য আলাদা কমিশন তৈরি করা, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করা, মন্ত্রীদের পিএস ও এপিএস সরকারি কর্মকর্তাদের বাইরে থেকে না নেওয়া, দুদকে নিয়োগের ক্ষেত্রে দরখাস্তের পরিবর্তে মনোনয়ন ব্যবস্থা রাখা, ইত্যাদি দরকার।’
আবু সাঈদ খান বলেন, ‘সংস্কার কমিশনগুলোর অনেকগুলো ব্যাপারে ঐকমত্য রয়েছে। কিন্তু সংস্কার প্রস্তাবে কতগুলো বিষয়ে বিতর্ক উস্কে দেওয়া হয়েছে। যেমন, গণপ্রজাতন্ত্রী শব্দের বদলে নাগরিকতন্ত্র শব্দ প্রস্তাব করা। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখার ব্যাপারে সংবিধান সংস্কার কমিশন থেকে যে যুক্তি দেওয়া তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। মূলত ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিপরীতে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বিনির্মাণের আকাক্সক্ষা থেকেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত সংবিধানকে বাদ দেওয়া যাবে না। বরং সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এর মধ্যকার কালাকানুন বাতিল করতে হবে।’
আরও পড়ুন :গণহত্যার দায়ে নেতানিয়াহুকে গ্রেফতার করতে হবে
ড. আসিফ মোহাম্মদ সাহান বলেন, ‘সংস্কারের ব্যাপারে বর্তমানে দেশে একটি জাতীয় ঐকমত্য রয়েছে। সংস্কারের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কিছু কাঠামো পরিবর্তন করা দরকার। যেমন, সংসদের উচ্চকক্ষ ও নি¤œকক্ষ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চেকস অ্যান্ড ব্যালেন্স প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। কিন্তু উচ্চকক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে এবং একে কিছু ক্ষমতা দিতে হবে।’
তিনি বলেন, শুধু ভোট দেওয়ার মধ্যে নাগরিকদের সীমাবদ্ধ না রেখে রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদেরকে যুক্ত করা দরকার। বিভিন্ন সংস্কার প্রস্তাবে বিভিন্ন স্বাধীন কমিশন গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্বাধীন মানে যা ইচ্ছা তা করা নয়। তাই ভবিষ্যতে যে কমিশন ও প্রতিষ্ঠাগুলো গঠিত হবে সেগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে ১০০ আসনে ঘূর্ণায়মান পদ্ধতিতে নারীদের সরাসরি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হলে নারীরা তাদের কাজের মাধ্যমে মূল্যায়িত হবেন। এতে তাদের প্রকৃত ক্ষমতায়ন ঘটবে। তাই এই পদ্ধতি প্রবর্তনের ব্যাপারে নাগরিকদের পক্ষ থেকে দাবি তুলতে হবে। একইভাবে পুলিশ বিভাগের সংস্কারের ব্যাপারে নাগরিকদের সোচ্চার হতে হবে।’
আরও পড়ুন :ঐকমত্য কমিশনে মতামত দিলো জামায়াত
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, অতীতে সংস্কার একটি গালিতে পরিণত হলেও সংস্কার এখন বহুল আকাক্সিক্ষত বিষয়ে পরিণত হয়েছে। আমি মনে করি, সংস্কারের পূর্বে আমাদের রাষ্ট্র ভাবনা কেমন হবে তা পরিষ্কার করা উচিত। আমাদের দুর্ভাগ্য যে, বাংলাদেশে কখনই রাষ্ট্র ভাবনা ও রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে সুচিন্তিত উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্বাধীনতার পর সংবিধান প্রবর্তনের অল্প কিছু কাল পরেই এতে নানান সমস্যা পরিলক্ষিত হয়েছে। ফলে সংবিধানে অনেকগুলো সংশোধনী আনতে হয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ সংশোধনী আনা হয়েছে ব্যক্তি স্বার্থে।’ বিগত ১৬ বছরের অভিজ্ঞতার ফলে সংস্কার একটি অনিবার্য বাস্তবতা এবং এক্ষেত্রে একটি স্ট্যান্ড তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মূল প্রবন্ধ পাঠকালে দিলীপ কুমার সরকার ৫টি সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশসমূহ সংক্ষেপে তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর ভ‚মিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বিশ্বাস জাতীয় ঐকমত্য কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোসহ সকল অংশীজনের সাথে বসে স্বল্প সময়ের মধ্যেই সংস্কারের ব্যাপারে ঐকমত্যে আসতে পারবে এবং সেই ঐকমত্যের সূত্র ধরেই আমরা সংস্কার প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করবো। এক্ষেত্রে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন কর্তৃক রাজনৈতিক দলসহ অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সংস্কার প্রস্তাবগুলোর একটি তালিকা তৈরি করা; ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্তবর্তী সরকার ও রাজনৈতিক সরকারের উদ্যোগে যে সকল সংস্কার প্রস্তাব কার্যকর করা হবে তা বিভাজিত করা; জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি জাতীয় সনদ প্রস্তুত করা; একটি জাতীয় সংলাপ আয়োজন করে জাতীয় সনদে সকল রাজনৈতিক দলসহ অন্যান্য অংশীজনের স্বাক্ষর গ্রহণের মধ্য দিয়ে সংস্কারের বিষয়ে তাদের অঙ্গীকারাবদ্ধ করা; অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য নির্ধারিত সংস্কারগুলো স¤পন্ন করে একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ সৃষ্টি করা; একটি অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ তথা সুষ্ঠ নির্বাচন আয়োজন করা; বিজয়ী রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে গঠিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা এবং নবগঠিত সরকারের নেতৃত্বে জাতীয় সনদে উল্লিখিত সংস্কার প্রস্তাগুলো বাস্তবায়নের করা এবং পরবর্তীতেও তা চলমান রাখার প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
আরও পড়ুন :ছয় বিভাগে শিলাবৃষ্টি হতে পারে
তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় সনদে এই মর্মে উল্লেখ থাকবে যে, ‘যে রাজনৈতিক দল বা জোটই নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করুক না কেন, সেই দল বা জোট জাতীয় সনদে বর্ণিত সংস্কার প্রক্রিয়া আবশ্যিকভাবে স¤পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে এবং যে সকল দল বা জোট বিরোধী দলের আসনে বসবে, তারা আবশ্যিকভাবে তা সমর্থন করবে। জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকল রাজনৈতিক দলসহ সকলের জন্য অবশ্য পালনীয় একটি আচরণবিধি প্রণীত হবে। সংস্কার প্রক্রিয়া বাস্তবায়নসহ আচরণবিধি সংশ্লিষ্ট সকলে যথাযথভাবে মেনে চলছেন কিনা, তা দেখার জন্য রাজনৈতিক দলসহ সকল অংশীজনের সমন্বয়ে একটি লিয়াজো কমিটি গঠিত হবে। পাশাপাশি জাতীয় সনদের বিষয়গুলোকে সংবিধানে সন্নিবেশনের জন্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে একটি বিল আনা যেতে পারে। এক্ষেত্রে একটি বিকল্প ধারণা হতে পারে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে উচ্চ আদালতের পরামর্শ (গাইডেন্স) সাপেক্ষে একটি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে জাতীয় সনদে বর্ণিত বিষয়সমূহকে সংবিধানের সঙ্গে যুক্ত করা যেতে পারে।’
বক্তব্যের শেষভাগে দিলীপ কুমার সরকার বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে- আর যেন কর্তৃত্ববাদী বা ফ্যাসিবাদী শাসনের উদ্ভব না হয়, নির্বাচন ব্যবস্থা যেন পরিশুদ্ধ হয়, গণতন্ত্র যেন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় এবং সর্বোপরি সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারভিত্তিক একটি বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রে যাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হয়। আর এই স্বপ্নের বাস্তব রূপায়ণ ঘটাতে হলে রাষ্ট্র সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। বিকল্প নেই রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার।’
আরও পড়ুন :শরণখোলায় ডায়রিয়ার প্রকোপ
সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বিচারপতি এমদাদুল হক, সাবেক সচিব আবদুল আউয়াল মজুমদার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আসিফ মোহাম্মদ সাহান, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড-এর সত্তাধিকারী মাহ্রুখ মহিউদ্দিন প্রমুখ। লিখিত প্রবন্ধ পাঠ করেন সুজন-এর কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার।