জুলাই সনদ বাস্তবায়নে মাঠে সক্রিয় থাকবে ছাত্রশিবির: নূরুল ইসলাম
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:১২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম বলেছেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ও ৬৮.৫৯ শতাংশ মানুষের সরাসরি ম্যান্ডেটকে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে নস্যাৎ করার অপচেষ্টা চলছে। ২৫টি রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই সনদ’ আজ খোদ স্বাক্ষরকারী দল বিএনপির হাতেই জিম্মি হয়ে পড়েছে। রাজপথের লড়াইয়ের মাধ্যমে অর্জিত বিজয়কে আইনি মারপ্যাঁচে নস্যাৎ করার কোনো হীন চক্রান্ত এ দেশের ছাত্র-জনতা বরদাশত করবে না। জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে মাঠে সক্রিয় থাকবে ছাত্রশিবির ইনশাআল্লাহ।”
৩১ মার্চ (মঙ্গলবার) ছাত্রশিবিরের মাসিক কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট বৈঠক ও ঈদ পুনর্মিলনীতে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েটের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মার্চ মাসের রিপোর্ট পর্যালোচনা ও এপ্রিল মাসের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এছাড়া ব্যক্তিগত ও বিভাগীয় রিপোর্ট, অঞ্চলভিত্তিক শাখাসমূহের পরিস্থিতি, ক্যাম্পাস ও ছাত্র সংসদ নির্বাচন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ এবং আগামী দিনের করণীয় নির্ধারণের এজেন্ডাগুলোও আলোচ্য ছিল।
সভাপতির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বলেন, “১৭ অক্টোবর ২০২৫-এ অধিকাংশ দলের সম্মতিতে জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৩ নভেম্বরের রাষ্ট্রপতির আদেশ অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬৮.৫৯ শতাংশ মানুষ সনদের পক্ষে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া মানেই জনগণের এই সরাসরি রায়কে অগ্রাহ্য করার লাইসেন্স নয়।”
তিনি সরকারের দ্বিচারিতার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ কমিশন, গুম প্রতিরোধ কমিশন ও বিচার বিভাগ পৃথক করার মতো ১৫টি মৌলিক সংস্কারের অধ্যাদেশ রহিত বা সংশোধন করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় দলীয়করণের পুরোনো ছকে ফিরিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। নির্বাচনকালে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচার চালিয়ে, এখন সেই রায়কে অস্বীকার করা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ছাড়া কিছুই নয়।”
বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনমত গঠন ও সরকারের অগণতান্ত্রিক আচরণের প্রতিবাদে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।













