কিছু খেলেই পেটে ব্যথা? মিলতে পারে ঘরোয়া উপশম
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
মাঝেমধ্যেই পেটে ব্যথা, খাবার খেলেই অস্বস্তি বা পেট ফেঁপে ওঠা—এসবকে অনেকেই সাধারণ গ্যাসের সমস্যা মনে করেন। তবে চিকিৎসকদের মতে, এমন লক্ষণ পেপটিক আলসার-এর ইঙ্গিতও হতে পারে। এই রোগে পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন অংশে ক্ষত তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে জটিলতার কারণ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, শরীরে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি হলে গ্যাস্ট্রিক আলসার দেখা দেয়। সাধারণত খাবার খাওয়ার ২–৩ ঘণ্টা পর পেটে ব্যথা বেড়ে যাওয়া, বুক ও গলায় জ্বালাপোড়া—এসব আলসারের সাধারণ লক্ষণ। অনেক সময় এটিকে অম্বল ভেবে এড়িয়ে যাওয়া হয়, যা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
আলসার হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আনা জরুরি। এমন খাবার গ্রহণ করতে হবে, যা হজমে সহায়ক এবং শরীরের বিষাক্ত উপাদান বের করতে সাহায্য করে।
ঘরোয়া উপায়ে কিছুটা উপশম পাওয়া যেতে পারে। আদা হজমশক্তি বাড়ায় ও পেটের ফাঁপাভাব কমাতে সাহায্য করে। তাই আদা ও মধুর চা নিয়মিত পান করা যেতে পারে। এছাড়া শসা, লেবু ও আদা একসঙ্গে ব্লেন্ড করে তৈরি স্মুদিও উপকারী।
পেট ঠান্ডা রাখতে পালং শাক ও শসা কার্যকর। এক মুঠো পালং শাক, অর্ধেক শসা ও একটি আপেল ব্লেন্ড করে তৈরি স্মুদি খাওয়া যেতে পারে। দই প্রোবায়োটিক হিসেবে হজমে সহায়তা করে। পুদিনা পাতা দিয়ে তৈরি দইয়ের শরবত পেটের জ্বালা কমাতে উপকারী।
মৌরি প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড হিসেবে কাজ করে। এক গ্লাস পানিতে মৌরি ভিজিয়ে সেই পানি পান করলে বা সরাসরি মৌরি চিবিয়ে খেলেও উপকার পাওয়া যায়।
গরমকালে ডাবের পানি পেট ঠান্ডা রাখতে সহায়ক। এর সঙ্গে তরমুজের রস ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে অতিরিক্ত অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, এসব ঘরোয়া উপায় সাময়িক আরাম দিলেও রোগের স্থায়ী সমাধান নয়। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই উত্তম।














