ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি সংকট: বাড়তে পারে সাপ্তাহিক ছুটি

দেবব্রত দত্ত
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৪২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে দেশে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, অফিস সময়সূচি পরিবর্তন কিংবা ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ চালুর মতো বিকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে।

তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সব সরকারি সংস্থাকে নিজস্ব প্রস্তাবনা তৈরি করতে বলা হয়েছে। এসব প্রস্তাব আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। আলোচনার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

এরই মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে।

চিঠিতে বলা হয়, সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অফিসে বাধ্যতামূলক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় এবং অফিস কক্ষ পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেও নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। নতুন সরবরাহ কমে যাওয়ায় মজুদ দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জ্বালানি সংকট: বাড়তে পারে সাপ্তাহিক ছুটি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৪২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে দেশে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, অফিস সময়সূচি পরিবর্তন কিংবা ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ চালুর মতো বিকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে।

তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সব সরকারি সংস্থাকে নিজস্ব প্রস্তাবনা তৈরি করতে বলা হয়েছে। এসব প্রস্তাব আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। আলোচনার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

এরই মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে।

চিঠিতে বলা হয়, সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অফিসে বাধ্যতামূলক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় এবং অফিস কক্ষ পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেও নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। নতুন সরবরাহ কমে যাওয়ায় মজুদ দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।