ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি, আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএসের দেশত্যাগে মানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৩১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শত শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাবেক উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মো. মোয়াজ্জেম হোসেনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ-এর আদালত এ আদেশ দেন।

Criminal Investigation Department (CID)-এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সংস্থাটির উপপরিদর্শক মো. আব্দুল হান্নান আদালতে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত মোয়াজ্জেম হোসেন দায়িত্ব পালনকালে তদবির বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল অর্থ অবৈধভাবে অর্জন করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব অর্থ সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে পাচার করা হয়েছে।

বর্তমানে তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।

সিআইডি জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি যেকোনো সময় দেশত্যাগ করতে পারেন—এমন আশঙ্কা থাকায় তদন্তের স্বার্থে তার বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা প্রয়োজন ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি, আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএসের দেশত্যাগে মানা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৩১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

শত শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাবেক উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মো. মোয়াজ্জেম হোসেনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ-এর আদালত এ আদেশ দেন।

Criminal Investigation Department (CID)-এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সংস্থাটির উপপরিদর্শক মো. আব্দুল হান্নান আদালতে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত মোয়াজ্জেম হোসেন দায়িত্ব পালনকালে তদবির বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল অর্থ অবৈধভাবে অর্জন করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব অর্থ সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে পাচার করা হয়েছে।

বর্তমানে তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।

সিআইডি জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি যেকোনো সময় দেশত্যাগ করতে পারেন—এমন আশঙ্কা থাকায় তদন্তের স্বার্থে তার বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা প্রয়োজন ছিল।