ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম

চাকরী হারাতে পারে সাড়ে ৯ হাজার পুলিশ!

জয়নাল আবেদিন
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

প্রতিকী ছবি

বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ পাওয়া সাড়ে ৯ হাজারের বেশি সদস্যের নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আর এই অনিয়ম খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এরইমধ্যে এ বিষয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যা দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়োগব্যবস্থাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

কারা তদন্তের আওতায়?

তদন্তের আওতায় থাকা সদস্যদের মধ্যে প্রায় দেড় হাজার উপপরিদর্শক (এসআই) এবং আট হাজারের বেশি কনস্টেবল রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এদের বড় একটি অংশ গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর অঞ্চলের বাসিন্দা।

অভিযোগ রয়েছে, তাদের অনেকেই রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অথবা দলীয় প্রভাবের মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন। কেউ কেউ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সক্রিয় কর্মী কিংবা রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য বলেও অভিযোগ উঠেছে।

কী ধরনের অনিয়মের অভিযোগ?

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো বলছে, নিয়োগে একাধিক গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে—জেলা কোটা লঙ্ঘন, স্থায়ী ঠিকানা গোপন বা পরিবর্তন, ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার, রাজনৈতিক সুপারিশে নিয়োগ, তথাকথিত ‘ছাত্রলীগ কোটা’।

বিশেষ করে কনস্টেবল নিয়োগে জেলাভিত্তিক কোটার তিন গুণ পর্যন্ত লোক নিয়োগের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সংখ্যার অস্বাভাবিকতা

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য— বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল থেকে প্রায় ১০ হাজার নিয়োগ, কিশোরগঞ্জ থেকে ৭ হাজার, শুধু গোপালগঞ্জ জেলা থেকেই প্রায় ৮ হাজার নিয়োগ, ধামরাই উপজয়ের ভুয়া ঠিকানায় ১ হাজার নিয়োগ (২০১১–২০১৩)।

এতে স্পষ্টভাবে কোটাব্যবস্থা লঙ্ঘনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

উপপরিদর্শক নিয়োগেও একই চিত্র

২০১২ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৮টি ব্যাচে (৩৩তম–৪০তম) প্রায় ১০ হাজার উপপরিদর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণে দেখা গেছে— গোপালগঞ্জ: কোটার তুলনায় প্রায় ৫ গুণ বেশি নিয়োগ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরেও একই প্রবণতা, মোট ৫৫২ জন এসআই কোটা লঙ্ঘন করে নিয়োগ পেয়েছেন।

এছাড়া ৬৬৫ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিয়োগ পেয়েছেন, যাদের একটি অংশ ‘ছাত্রলীগ-সম্পৃক্ত কোটা’ থেকে এসেছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যতিক্রম

অভিযোগ রয়েছে, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করতে— প্রশিক্ষণের সময় দুই বছর থেকে কমিয়ে এক বছর করা হয়, ভাইভার আগেই পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা হয়। এসব সিদ্ধান্ত নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

সরকারের অবস্থান

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিগত সরকারের সময় পুলিশের নিয়োগে জালিয়াতি ও অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। তাই বিষয়টি তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করা হবে। তবে তদন্তে যেন কোনো নিরীহ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তদন্ত কাঠামো

পুলিশ সদর দপ্তরকে এ তদন্তের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলায় পুলিশ সুপারকে প্রধান করে ৪ সদস্যের কমিটি। জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (TRC) শনাক্তের নির্দেশ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তদারকি।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

বিএনপি ও সমমনা দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, বিগত সরকার পুলিশ বাহিনীকে দলীয়করণ করেছে। বিরোধী দলের বিরুদ্ধে অভিযান, গ্রেপ্তার, এমনকি গুম-নির্যাতনের মতো কর্মকাণ্ডে পুলিশকে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সামনে কী?

এই তদন্ত শুধু কয়েক হাজার নিয়োগের বৈধতা যাচাই নয়—বরং এটি দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং নিয়োগব্যবস্থার স্বচ্ছতার একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তদন্ত শেষে যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে— চাকরি বাতিল, বিভাগীয় ব্যবস্থা, ফৌজদারি মামলাসহ একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া পুলিশ সদস্যদের তালিকা যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী—এ তথ্য জানিয়েছেন সদ্য বিদায়ী পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম।

তিনি জানান, সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট নিয়োগপ্রক্রিয়া পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের নির্দেশ দেন। কোনো ধরনের অসংগতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে মন্ত্রীর এ নির্দেশনা পুলিশ সদর দপ্তরে পৌঁছেছে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ জারি করা এক অফিস আদেশে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলদের (টিআরসি) শনাক্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। অতিরিক্ত ডিআইজি (রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ক্যারিয়ার প্ল্যানিং-১) মো. আবু হাসানের সই করা এ আদেশ দেশের সব জেলার পুলিশ সুপারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম

চাকরী হারাতে পারে সাড়ে ৯ হাজার পুলিশ!

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ পাওয়া সাড়ে ৯ হাজারের বেশি সদস্যের নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আর এই অনিয়ম খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এরইমধ্যে এ বিষয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যা দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়োগব্যবস্থাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

কারা তদন্তের আওতায়?

তদন্তের আওতায় থাকা সদস্যদের মধ্যে প্রায় দেড় হাজার উপপরিদর্শক (এসআই) এবং আট হাজারের বেশি কনস্টেবল রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এদের বড় একটি অংশ গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর অঞ্চলের বাসিন্দা।

অভিযোগ রয়েছে, তাদের অনেকেই রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অথবা দলীয় প্রভাবের মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন। কেউ কেউ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সক্রিয় কর্মী কিংবা রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য বলেও অভিযোগ উঠেছে।

কী ধরনের অনিয়মের অভিযোগ?

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো বলছে, নিয়োগে একাধিক গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে—জেলা কোটা লঙ্ঘন, স্থায়ী ঠিকানা গোপন বা পরিবর্তন, ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার, রাজনৈতিক সুপারিশে নিয়োগ, তথাকথিত ‘ছাত্রলীগ কোটা’।

বিশেষ করে কনস্টেবল নিয়োগে জেলাভিত্তিক কোটার তিন গুণ পর্যন্ত লোক নিয়োগের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সংখ্যার অস্বাভাবিকতা

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য— বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল থেকে প্রায় ১০ হাজার নিয়োগ, কিশোরগঞ্জ থেকে ৭ হাজার, শুধু গোপালগঞ্জ জেলা থেকেই প্রায় ৮ হাজার নিয়োগ, ধামরাই উপজয়ের ভুয়া ঠিকানায় ১ হাজার নিয়োগ (২০১১–২০১৩)।

এতে স্পষ্টভাবে কোটাব্যবস্থা লঙ্ঘনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

উপপরিদর্শক নিয়োগেও একই চিত্র

২০১২ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৮টি ব্যাচে (৩৩তম–৪০তম) প্রায় ১০ হাজার উপপরিদর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণে দেখা গেছে— গোপালগঞ্জ: কোটার তুলনায় প্রায় ৫ গুণ বেশি নিয়োগ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরেও একই প্রবণতা, মোট ৫৫২ জন এসআই কোটা লঙ্ঘন করে নিয়োগ পেয়েছেন।

এছাড়া ৬৬৫ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিয়োগ পেয়েছেন, যাদের একটি অংশ ‘ছাত্রলীগ-সম্পৃক্ত কোটা’ থেকে এসেছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যতিক্রম

অভিযোগ রয়েছে, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করতে— প্রশিক্ষণের সময় দুই বছর থেকে কমিয়ে এক বছর করা হয়, ভাইভার আগেই পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা হয়। এসব সিদ্ধান্ত নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

সরকারের অবস্থান

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিগত সরকারের সময় পুলিশের নিয়োগে জালিয়াতি ও অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। তাই বিষয়টি তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করা হবে। তবে তদন্তে যেন কোনো নিরীহ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তদন্ত কাঠামো

পুলিশ সদর দপ্তরকে এ তদন্তের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলায় পুলিশ সুপারকে প্রধান করে ৪ সদস্যের কমিটি। জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (TRC) শনাক্তের নির্দেশ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তদারকি।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

বিএনপি ও সমমনা দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, বিগত সরকার পুলিশ বাহিনীকে দলীয়করণ করেছে। বিরোধী দলের বিরুদ্ধে অভিযান, গ্রেপ্তার, এমনকি গুম-নির্যাতনের মতো কর্মকাণ্ডে পুলিশকে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সামনে কী?

এই তদন্ত শুধু কয়েক হাজার নিয়োগের বৈধতা যাচাই নয়—বরং এটি দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং নিয়োগব্যবস্থার স্বচ্ছতার একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তদন্ত শেষে যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে— চাকরি বাতিল, বিভাগীয় ব্যবস্থা, ফৌজদারি মামলাসহ একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া পুলিশ সদস্যদের তালিকা যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী—এ তথ্য জানিয়েছেন সদ্য বিদায়ী পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম।

তিনি জানান, সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট নিয়োগপ্রক্রিয়া পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের নির্দেশ দেন। কোনো ধরনের অসংগতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে মন্ত্রীর এ নির্দেশনা পুলিশ সদর দপ্তরে পৌঁছেছে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ জারি করা এক অফিস আদেশে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলদের (টিআরসি) শনাক্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। অতিরিক্ত ডিআইজি (রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ক্যারিয়ার প্ল্যানিং-১) মো. আবু হাসানের সই করা এ আদেশ দেশের সব জেলার পুলিশ সুপারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।