ঢাকা ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিসেম্বরের মধ্যেই এসএসসি-এইচএসসি, বড় সংস্কারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:০১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় সাশ্রয়ে বড় ধরনের সংস্কারের পথে হাঁটছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এখন থেকে প্রতিবছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে এক মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মন্ত্রণালয় জানায়, বর্তমানে একজন শিক্ষার্থী দশম শ্রেণি শেষ করার পরের বছর এসএসসি এবং একইভাবে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এতে শিক্ষাজীবনের প্রায় দুই বছর সময় নষ্ট হয়। এই সময় ক্ষতি কমাতেই বছরের শেষ নাগাদ পরীক্ষা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে মূল্যবান সময় হারিয়ে যাওয়া জাতীয় ক্ষতি। তাই সময় সাশ্রয়ী ও কার্যকর পরীক্ষা পদ্ধতি চালুর জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

সভায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় দেশের সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোর বাস্তব অবস্থা যাচাইয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের সরেজমিন পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা নিজে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে কেন্দ্র পরিদর্শন করে প্রতিবেদন জমা দেবেন।

পরীক্ষায় নকল ও অনিয়ম ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। অতীতে নকল প্রতিরোধে শিক্ষকদের ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় রাখা হবে।

এছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় বিষয় সংখ্যা কমানোর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বিভাগীয় শহরগুলোতে কেন্দ্র সচিব ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডিসেম্বরের মধ্যেই এসএসসি-এইচএসসি, বড় সংস্কারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:০১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় সাশ্রয়ে বড় ধরনের সংস্কারের পথে হাঁটছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এখন থেকে প্রতিবছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে এক মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মন্ত্রণালয় জানায়, বর্তমানে একজন শিক্ষার্থী দশম শ্রেণি শেষ করার পরের বছর এসএসসি এবং একইভাবে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এতে শিক্ষাজীবনের প্রায় দুই বছর সময় নষ্ট হয়। এই সময় ক্ষতি কমাতেই বছরের শেষ নাগাদ পরীক্ষা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে মূল্যবান সময় হারিয়ে যাওয়া জাতীয় ক্ষতি। তাই সময় সাশ্রয়ী ও কার্যকর পরীক্ষা পদ্ধতি চালুর জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

সভায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় দেশের সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোর বাস্তব অবস্থা যাচাইয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের সরেজমিন পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা নিজে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে কেন্দ্র পরিদর্শন করে প্রতিবেদন জমা দেবেন।

পরীক্ষায় নকল ও অনিয়ম ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। অতীতে নকল প্রতিরোধে শিক্ষকদের ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় রাখা হবে।

এছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় বিষয় সংখ্যা কমানোর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বিভাগীয় শহরগুলোতে কেন্দ্র সচিব ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।