ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বাণী

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে উজ্জীবিত করেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “২৫ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে নৃশংস ও বেদনাবিধুর অধ্যায়। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ অভিযানের নামে নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত মুক্তিকামী দেশবাসীর ওপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, ইপিআর এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক, ছাত্র, শ্রমিক ও অসংখ্য নিরপরাধ মানুষ এই গণহত্যার শিকার হন।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, “চট্টগ্রামের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট গণহত্যার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্রোহ ও সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তৎকালীন মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা বিভ্রান্ত ও দ্বিধাগ্রস্ত পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে, অসীম সাহসী করে তোলে এবং সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে ও প্রাণ উৎসর্গ করতে প্রেরণা যোগায়। এই সশস্ত্র প্রতিরোধের মাধ্যমে শুরু হয় রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ, যা দীর্ঘ ৯ মাস পর লাখ-লাখ প্রাণের বিনিময়ে গৌরবময় বিজয় অর্জন করে।”

তিনি তরুণ প্রজন্মকে ইতিহাসের এই বর্বরতা ও জাতির গৌরবগাঁথা সম্পর্কে জানার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “শহীদদের স্বপ্ন ছিল মানবিক, গণতান্ত্রিক ও ইনসাফভিত্তিক একটি রাষ্ট্র গড়ে তোলা—যেখানে বৈষম্য, দুঃশাসন, দুর্নীতি ও অন্যায় থাকবে না। এই চেতনা বাস্তবায়নে আমরা সমবেতভাবে কাজ করি এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হই।”

রাষ্ট্রপতি শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, “আমি সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বাণী

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে উজ্জীবিত করেছে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “২৫ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে নৃশংস ও বেদনাবিধুর অধ্যায়। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ অভিযানের নামে নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত মুক্তিকামী দেশবাসীর ওপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, ইপিআর এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক, ছাত্র, শ্রমিক ও অসংখ্য নিরপরাধ মানুষ এই গণহত্যার শিকার হন।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, “চট্টগ্রামের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট গণহত্যার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্রোহ ও সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তৎকালীন মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা বিভ্রান্ত ও দ্বিধাগ্রস্ত পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে, অসীম সাহসী করে তোলে এবং সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে ও প্রাণ উৎসর্গ করতে প্রেরণা যোগায়। এই সশস্ত্র প্রতিরোধের মাধ্যমে শুরু হয় রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ, যা দীর্ঘ ৯ মাস পর লাখ-লাখ প্রাণের বিনিময়ে গৌরবময় বিজয় অর্জন করে।”

তিনি তরুণ প্রজন্মকে ইতিহাসের এই বর্বরতা ও জাতির গৌরবগাঁথা সম্পর্কে জানার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “শহীদদের স্বপ্ন ছিল মানবিক, গণতান্ত্রিক ও ইনসাফভিত্তিক একটি রাষ্ট্র গড়ে তোলা—যেখানে বৈষম্য, দুঃশাসন, দুর্নীতি ও অন্যায় থাকবে না। এই চেতনা বাস্তবায়নে আমরা সমবেতভাবে কাজ করি এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হই।”

রাষ্ট্রপতি শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, “আমি সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।”