ঈশ্বরদীতে বিএনপির দু’গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় আটক ১৯, এখনও মামলা হয়নি
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপির দুইপক্ষের সংঘর্ষ, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এখনও কোনো পক্ষ মামলা দায়ের করেনি। তবে এঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে এসব তথ্য জানান ঈম্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান।
তিনি জানান, বার বার বলার পরও এখনও কোনো পক্ষ এজাহার জমা দেয়নি। এজাহার জমা দেওয়া মাত্রই মামলা এন্ট্রি করা হবে। আর এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তারা এই বিঙ্খলার সঙ্গে জড়িত ছিল কিনা যাছাই চলছে।
এর আগে গতকাল সোমবার ঈশ্বরদীর রেল গেট ও পোস্ট অফিস মোড় এলাকায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মেহেদী হাসান এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ইমরুল কায়েস সুমনের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
মেহেদী হাসান বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টুর ছোট ভাই এবং ইমরুল কায়েস সুমন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থক।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টুর সমর্থক ঈশ্বরদী পৌর ৪ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি আব্দুল রউফকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠে ইমরুল কায়েস সুমনের বিরুদ্ধে।
পরে ইমরুল কায়েস সুমনের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে জাকারিয়া পিন্টুর ভাই উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মেহেদী হাসানের নামে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
ওই ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে মামলাটি মিথ্যা দাবি করে মেহেদী হাসান। সংবাদ সম্মেলন শেষে মিছিল নিয়ে ফেরার পথে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের এক পর্যায়ে হাবিবুর রহমান হাবিবের নির্বাচনি অফিসে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় ১৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও ৬টি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তাসহ কমপক্ষে ২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


























