ঢাকা ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমেরিকা-ইসরায়েলের ‘খতম তালিকা’য় ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান!

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:২৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আয়াতোল্লা আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। এর আগের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারজানি ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়ার পর তাঁর স্থলে দায়িত্ব পেয়েছেন মহম্মদ বাঘের জোলঘার, যিনি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের প্রাক্তন কমান্ডার।

একটি সূত্রের খবর অনুযায়ী, জোলঘার ইতিমধ্যেই আমেরিকা এবং ইসরায়েলের ‘খতম তালিকা’তে রয়েছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, খামেনির মৃত্যুর পরে লারজানি তালিকার শীর্ষে থাকলেও তাঁকে খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন হয়েছিল, কারণ ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। লারজানিও বারবার অবস্থান পরিবর্তন করতেন এবং ছদ্মবেশ নিতেন।

তবে গত ১৭ মার্চ এক ভুলের কারণে লারজানি বেরিয়ে আসেন মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে। তেহরানের পারডিসে নিজ মেয়ের বাড়িতে অবস্থান করার সময়ই ইজরায়েল ও আমেরিকার গুপ্তচর সংস্থা Mossad তাঁকে শনাক্ত করে এবং হামলা চালিয়ে হত্যা করে।

বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করছেন, বর্তমান যুদ্ধ এবং ষড়যন্ত্রের পরিস্থিতিতে মহম্মদ জোলঘারের নিরাপত্তা রক্ষা করা ইরানের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার ওপর, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি জোলঘারের দায়িত্ব পালনকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আমেরিকা-ইসরায়েলের ‘খতম তালিকা’য় ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান!

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:২৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

আয়াতোল্লা আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। এর আগের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারজানি ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়ার পর তাঁর স্থলে দায়িত্ব পেয়েছেন মহম্মদ বাঘের জোলঘার, যিনি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের প্রাক্তন কমান্ডার।

একটি সূত্রের খবর অনুযায়ী, জোলঘার ইতিমধ্যেই আমেরিকা এবং ইসরায়েলের ‘খতম তালিকা’তে রয়েছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, খামেনির মৃত্যুর পরে লারজানি তালিকার শীর্ষে থাকলেও তাঁকে খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন হয়েছিল, কারণ ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। লারজানিও বারবার অবস্থান পরিবর্তন করতেন এবং ছদ্মবেশ নিতেন।

তবে গত ১৭ মার্চ এক ভুলের কারণে লারজানি বেরিয়ে আসেন মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে। তেহরানের পারডিসে নিজ মেয়ের বাড়িতে অবস্থান করার সময়ই ইজরায়েল ও আমেরিকার গুপ্তচর সংস্থা Mossad তাঁকে শনাক্ত করে এবং হামলা চালিয়ে হত্যা করে।

বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করছেন, বর্তমান যুদ্ধ এবং ষড়যন্ত্রের পরিস্থিতিতে মহম্মদ জোলঘারের নিরাপত্তা রক্ষা করা ইরানের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার ওপর, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি জোলঘারের দায়িত্ব পালনকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।