ঈদ ভ্রমণে জয়পুরহাট: কোথায় যাবেন, কী দেখবেন
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
ঈদ মানেই শিকড়ে ফেরা, প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানো আর আনন্দ ভাগাভাগি। আর টানা ছুটির এই সময়টাকে স্মরণীয় করে তুলতে ভ্রমণের বিকল্প নেই। এবার ঈদের ছুটিতে জয়পুরহাট হতে পারে দারুণ এক গন্তব্য—প্রকৃতি, ইতিহাস আর বিনোদনের মিশেলে সাজানো এই জেলার নানা দর্শনীয় স্থান অপেক্ষা করছে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য।
🌿 জয়পুরহাট শিশু উদ্যান
শহরের বুলুপাড়া এলাকায় অবস্থিত এই পার্কটি শুধু শিশুদের নয়, সব বয়সীদের কাছেই জনপ্রিয়। লেক, বোটিং, নাগরদোলা, ট্রেনসহ নানা রাইডে কাটবে আনন্দঘন সময়।
🎡 দ্য ফ্রেন্ডস আইল্যান্ড
শহরের কাছাকাছি হারাইল এলাকায় আধুনিক এই বিনোদনকেন্দ্রে রয়েছে সুইমিংপুল ও বিভিন্ন রাইড। পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য এটি অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান।

🌳 হারাবতী ইকো রিসোর্ট
সবুজ প্রকৃতির মাঝে নিরিবিলি সময় কাটাতে চাইলে মাধাইনগরের এই রিসোর্ট হতে পারে সেরা পছন্দ। সাজানো বাগান ও প্রাকৃতিক পরিবেশ মনকে দেবে প্রশান্তি।
🏞️ পাথরঘাটা ও নিমাই পীরের মাজার
তুলসীগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত এই স্থানটি ইতিহাস আর প্রকৃতির এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। প্রাচীন নিদর্শন আর নদীর স্নিগ্ধতা মিলে তৈরি করেছে অনন্য পরিবেশ।
🏰 লকমা রাজবাড়ি
পাঁচবিবির এই প্রাচীন রাজবাড়ি ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য দারুণ আকর্ষণ। ধ্বংসাবশেষের মাঝেও খুঁজে পাওয়া যায় অতীতের গল্প।
🌊 নান্দাইল দিঘী
প্রায় ৫৯ একর আয়তনের এই বিশাল দিঘী প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আদর্শ। নৌকায় ভেসে বেড়ানো বা পাড়ে বসে সময় কাটানো—দুটিই দেবে প্রশান্তি।
🌅 নিঃশব্দ (বিলের ঘাট)
তুলসীগঙ্গা নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই স্পটটি এখন তরুণদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ভিউ পয়েন্ট থেকে নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।

🕌 হিন্দা-কসবা শাহী জামে মসজিদ
ইসলামি স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন এই মসজিদটি দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে তার কারুকার্যে।
🌿 আছরাঙ্গা দিঘী
সবুজ গাছপালায় ঘেরা বিশাল এই দিঘি নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য উপযুক্ত। পরিবার নিয়ে পিকনিক বা বিকেলের আড্ডার জন্য আদর্শ স্থান।
🎪 গোপীনাথপুর মেলা
লোকজ সংস্কৃতির স্বাদ নিতে চাইলে গোপীনাথপুর মেলা হতে পারে সেরা গন্তব্য। মাটির জিনিসপত্র, মিষ্টি, নাগরদোলা আর গ্রামীণ বিনোদনে জমে ওঠে এই মেলা।
✨ ভ্রমণ টিপস
ঈদের ভিড় এড়াতে সকালে বের হওয়াই ভালো
আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে পরিকল্পনা করুন
পরিবার নিয়ে গেলে নিরাপত্তা ও খাবারের বিষয়টি খেয়াল রাখুন





















