চন্দ্রায় রাতভর বৃষ্টিতে তীব্র যানজট, ভোর থেকে কিছুটা স্বস্তি
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫৯:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় টানা বৃষ্টিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঈদে ঘরমুখী হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তবে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল থেকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি রাতভর থেমে থেমে চলতে থাকে। এতে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যানবাহনের গতি কমে যায় এবং একপর্যায়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
বিশেষ করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক-এর চন্দ্রা, চন্দ্রা-নবীনগর ও চন্দ্রা-কোনাবাড়ী সড়কে গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা যায়। কোনাবাড়ী থেকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি চন্দ্রা থেকে নবীনগরের জিরানী বাজার পর্যন্ত ৫-৭ কিলোমিটার সড়কে ধীরগতিতে যান চলাচল করেছে।
সকালে বৃষ্টি কমে আসা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় যান চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও এখনো অনেক স্থানে ধীরগতি রয়েছে।
ঘরমুখী যাত্রীরা জানান, কয়েক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় লেগেছে। কেউ কেউ যানজটে আটকে থেকে ট্রাক বা পিকআপ থেকে নেমে হেঁটে আবার অন্য যানবাহনে উঠেছেন।
রাজশাহীগামী যাত্রী আবদুল মালেক বলেন, রাত ১২টায় যাত্রা শুরু করেও সকালে খুব বেশি দূর এগোতে পারেননি। পরিবার নিয়ে দীর্ঘ সময় আটকে থেকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বগুড়াগামী শিউলি আক্তার বলেন, ছোট শিশুকে নিয়ে বাসে বসে থাকা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে উঠেছে।
এদিকে পরিবহনচালকেরাও বিপাকে পড়েছেন। চালকদের অভিযোগ, বৃষ্টির কারণে অনেক স্থানে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে শিথিলতা দেখা দেওয়ায় যানজট আরও বেড়েছে।
কোনাবাড়ী নাওজোর হাইওয়ে থানার ওসি সওগাতুল আলম জানান, রাত থেকেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে যানজট নিরসনে কাজ করা হচ্ছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করায় ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।




















