ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম

খাল খননে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়বে

আবু হানিফ, বাগেরহাট
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ ৫৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, খাল খননের ফলে কৃষকদের সেচ সুবিধার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ভারসাম্য সুরক্ষা হবে। খাল পুনঃখননের মাধ্যমে কৃষি, মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানও বহুগুন বাড়বে। দরিদ্র কৃষকরা সবজিসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন করতে পারবে। অর্থনৈতিকভাবে তারা স্বাবলম্বী হবে।

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে ফকিরহাট উপজেলার সাতবাড়িয়া খাল পুনঃখননের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের ক্রান্তিকালে হাল ধরে একটি দরিদ্র পীড়িত বাংলাদেশকে কৃষি স্বনির্ভর দেশে পরিনত করেছিলেন। তারই সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান আজ আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী। আমাদের অনেকের হাতে ভোটের কালির দাগ শুকানোর আগেই বিএনপির নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির কাজ শুরু হয়েছে। বাগেরহাটের নয়টি উপজেলা যে খালগুলো আছে সেগুলো পুনরুদ্ধার করার জন্য ইতিমধ্যে আমরা প্রশাসন নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব খাল পুনঃখনন করে একটি আলোকিত জনপদ গড়ে তোলা হবে চাই।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. মশিউর রহমান খান, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাত, বাগেরহাট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, বিএডিসির তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী মো. আব্দুল্লাহ আল রশিদ, বাগেরহাট কৃষি সস্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন, ফকিরহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম গোরা, সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুল কামাল কারিম, স্থানীয় উপকারভোগী মো. নাজমুল ইসলাম প্রমূখ।

ফকিরহাট উপজেলার সাতবাড়িয়ায় খালের ৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য, ৪৫ ফুট চওড়া ও ১০ ফুট গভীর করে খালের পুনঃখনন কাজ বিএডিসির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। এতে ওই এলাকার ৬৫০ হেক্টর জমি আবাদের আওতায় এসে ১ হাজার ৫০০জন কৃষক উপকৃত হবেন বলে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম

খাল খননে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়বে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, খাল খননের ফলে কৃষকদের সেচ সুবিধার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ভারসাম্য সুরক্ষা হবে। খাল পুনঃখননের মাধ্যমে কৃষি, মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানও বহুগুন বাড়বে। দরিদ্র কৃষকরা সবজিসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন করতে পারবে। অর্থনৈতিকভাবে তারা স্বাবলম্বী হবে।

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে ফকিরহাট উপজেলার সাতবাড়িয়া খাল পুনঃখননের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের ক্রান্তিকালে হাল ধরে একটি দরিদ্র পীড়িত বাংলাদেশকে কৃষি স্বনির্ভর দেশে পরিনত করেছিলেন। তারই সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান আজ আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী। আমাদের অনেকের হাতে ভোটের কালির দাগ শুকানোর আগেই বিএনপির নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির কাজ শুরু হয়েছে। বাগেরহাটের নয়টি উপজেলা যে খালগুলো আছে সেগুলো পুনরুদ্ধার করার জন্য ইতিমধ্যে আমরা প্রশাসন নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব খাল পুনঃখনন করে একটি আলোকিত জনপদ গড়ে তোলা হবে চাই।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. মশিউর রহমান খান, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাত, বাগেরহাট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, বিএডিসির তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী মো. আব্দুল্লাহ আল রশিদ, বাগেরহাট কৃষি সস্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন, ফকিরহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম গোরা, সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুল কামাল কারিম, স্থানীয় উপকারভোগী মো. নাজমুল ইসলাম প্রমূখ।

ফকিরহাট উপজেলার সাতবাড়িয়ায় খালের ৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য, ৪৫ ফুট চওড়া ও ১০ ফুট গভীর করে খালের পুনঃখনন কাজ বিএডিসির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। এতে ওই এলাকার ৬৫০ হেক্টর জমি আবাদের আওতায় এসে ১ হাজার ৫০০জন কৃষক উপকৃত হবেন বলে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে।