ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধেয়ে আসছে ‘গোধূলি’, হতে পারে কালবৈশাখী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তপ্ত আবহাওয়ায় স্বস্তির বার্তা নিয়ে দেশে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বছরের প্রথম প্রাক-মৌসুমি বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত থেকেই দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল দিয়ে এই বৃষ্টিবলয় সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বেসরকারি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, এর প্রভাবে দেশের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিশেষ করে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ রাতে সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ দিয়ে বৃষ্টিবলয়টি দেশে প্রবেশ করে আগামী ১৮ মার্চ উপকূলীয় এলাকা দিয়ে দেশ ত্যাগ করতে পারে।

বিডব্লিউওটির তথ্য বলছে, ‘গোধূলি’ বৃষ্টিবলয়ের প্রভাবে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। পাশাপাশি ঢাকা বিভাগের উত্তর-পূর্বাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তরাঞ্চল এবং রংপুর বিভাগের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও ঝড়-বৃষ্টির সক্রিয়তা বেশি থাকবে। এসব এলাকায় কয়েক দফায় কালবৈশাখী ঝড় এবং বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা ও রংপুর বিভাগের বাকি অংশ, রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের উত্তরাঞ্চলে মাঝারি ধরনের ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বরিশাল বিভাগ এবং খুলনা ও চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক কম থাকতে পারে।

এই সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে মাঝারি থেকে তীব্র বজ্রপাত এবং বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগর কিছুটা উত্তাল থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় সামান্য পাহাড় ধসের ঝুঁকি থাকতে পারে। তবে এ বৃষ্টিবলয়ের কারণে বন্যার আশঙ্কা নেই।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চৈত্র মাসের এই বৃষ্টিপাত কৃষি খাতের জন্য উপকারী হতে পারে। বিডব্লিউওটির মতে, এ বৃষ্টিতে দেশের প্রায় ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ এলাকার সেচের চাহিদা পূরণ হতে পারে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ১৩ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত ‘গোধূলি’ বৃষ্টিবলয় সক্রিয় থাকবে এবং ১৬ মার্চ পর্যন্ত এর তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ধেয়ে আসছে ‘গোধূলি’, হতে পারে কালবৈশাখী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তপ্ত আবহাওয়ায় স্বস্তির বার্তা নিয়ে দেশে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বছরের প্রথম প্রাক-মৌসুমি বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত থেকেই দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল দিয়ে এই বৃষ্টিবলয় সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বেসরকারি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, এর প্রভাবে দেশের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিশেষ করে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ রাতে সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ দিয়ে বৃষ্টিবলয়টি দেশে প্রবেশ করে আগামী ১৮ মার্চ উপকূলীয় এলাকা দিয়ে দেশ ত্যাগ করতে পারে।

বিডব্লিউওটির তথ্য বলছে, ‘গোধূলি’ বৃষ্টিবলয়ের প্রভাবে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। পাশাপাশি ঢাকা বিভাগের উত্তর-পূর্বাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তরাঞ্চল এবং রংপুর বিভাগের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও ঝড়-বৃষ্টির সক্রিয়তা বেশি থাকবে। এসব এলাকায় কয়েক দফায় কালবৈশাখী ঝড় এবং বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা ও রংপুর বিভাগের বাকি অংশ, রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের উত্তরাঞ্চলে মাঝারি ধরনের ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বরিশাল বিভাগ এবং খুলনা ও চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক কম থাকতে পারে।

এই সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে মাঝারি থেকে তীব্র বজ্রপাত এবং বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগর কিছুটা উত্তাল থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় সামান্য পাহাড় ধসের ঝুঁকি থাকতে পারে। তবে এ বৃষ্টিবলয়ের কারণে বন্যার আশঙ্কা নেই।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চৈত্র মাসের এই বৃষ্টিপাত কৃষি খাতের জন্য উপকারী হতে পারে। বিডব্লিউওটির মতে, এ বৃষ্টিতে দেশের প্রায় ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ এলাকার সেচের চাহিদা পূরণ হতে পারে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ১৩ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত ‘গোধূলি’ বৃষ্টিবলয় সক্রিয় থাকবে এবং ১৬ মার্চ পর্যন্ত এর তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হতে পারে।