সন্ত্রাস ও মাদককারবারিদের প্রতি বিএনপির কোনো পৃষ্ঠপোষকতা থাকবে না
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:২২:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী কিংবা কিশোর গ্যাংয়ের প্রতি বিএনপির কোনো রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থাকবে না। মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংমুক্ত সমাজ গড়া দলের রাজনৈতিক অঙ্গীকার বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে ইফতার মাহফিল-পূর্ব বক্তব্যে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি শহরের হোটেল ওরিয়ন ইন্টারন্যাশনাল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে যে অঙ্গীকার করেছিলেন, তার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। মন্ত্রিসভার প্রথম সভায় কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হবেন এবং সরকারের ব্যয় হবে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা।
তিনি আরও জানান, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ পাইলট প্রকল্প হিসেবে ঈদের আগেই চালু করার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের সম্মানী ভাতা ঈদুল ফিতরের আগেই শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ধর্মগুরুরাও এই সুবিধার আওতায় আসবেন।
যশোরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আগামী বর্ষা মৌসুমেই অন্তত ৫০ শতাংশ সমস্যা লাঘবের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং দমনে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে দ্রুত কাজ শুরু হবে। সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যেই দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম বক্তব্য দেন।
ইফতার পূর্বে দেশ ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও সাম্প্রতিক গণআন্দোলনে নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। এছাড়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলামের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।
ইফতার পূর্বে বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ’র শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। এ সময় ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। এছাড়া মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান , সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, যশোর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আহসান হাবীব, যশোরের সিভিল সার্জন মাসুদ রানা, যশোর-২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্ববধায়ক হুসাইন সাফায়াত, যশোর চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডস্ট্রির সভাপতি মিজানুর রহমান খান, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি যশোর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত) মকবুল হোসেন, এলজিইডির সাবেক কর্মকর্তা প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার, জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি দীপংকার দাস রতন, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সানোয়ার আলম খান দুলু, ঢাবি ফোরাম যশোরের সভাপতি সাইফুল্লাহ খালিদ, সাধারণ সম্পাদক আশফাকুজ্জামান খান রনি প্রমুখ।























