ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আধুনিক বাংলার জীবন্ত কিংবদন্তি কবি রফিকউজ্জামান

শহিদুল ইসলাম দইচ, যশোর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৮৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কবি উর্মি রহমান-এর ” থেকে যাবো ধূসর ডানায়” এবং কবি অতসী’র ” ভালোবাসার শীতলপাটি” – কাব্য গ্রন্থ দুটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে প্রাচ্যসংঘ যশোর এর উন্মুক্ত মঞ্চে এই দুটি কাব্য গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধান অতিথি দেশের খ্যাতিমান বরেণ্য গীতিকবি মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান।

প্রাচ্যসংঘ যশোরের কার্যনির্বাহী কমিটির আহবায়ক খবির উদ্দিন সুইটের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাচ্যসংঘ যশোরের প্রতিষ্ঠাতা কবি লেখক গবেষক সাংবাদিক বেনজীন খান, কবি কাসেদুজ্জামান সেলিম, দাউদ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল মাহফুজা নাসরিন ও কবি চঞ্চল শাহরিয়ার। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কবি উর্মি রহমান ও কবি অতসী।

আলোচনায় অংশ নেন কবি আলী বকস,কবি মশিয়ার রহমান। গ্রন্থ পরিচিতিতে অংশ গ্রহণ করেন সৈয়দ ফাহিম রাফিদ ও অনিক মাজহার। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ সোহানৃর রহমান ও তাপস কুমার পাল।

প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় বলেন, আজ দুইজন কবির দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করতে পেরে নিজের কাছে ভালো লাগছে। কবিদ্বয় নিজেদের লেখা দুটি কবিতা পাঠ করে আমাদেরকে সমৃদ্ধ করেছে।আজকের কবিরা নিজেদেরকে কবি হিসেবে পরিচয় দিতে কুন্ঠা বোধ করেন। কিন্তু আমি নিজেকে কবি ও গীতিকবি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করি। আমাদের যুবসমাজ বই থেকে মুখ সরিয়ে নিচ্ছে। আত্নকথন ও বিসৃতি এই দুইয়ের সমন্বয় ঘটানো কবি ও গীতিকবর কাজ। কবি জীননানন্দ দাস বলেছেন উপমায় কবিতা। কিন্তু শুধু উপমা দিয়ে কবিতা হয় ঠিকই কিন্তু আত্নকথন ও বিসৃতি কবিকে সুদুর প্রসারি সৃষ্টিতে সহায়তা করে। সৃষ্টির মুল রহস্য হচ্ছে নতুনকে আবিস্কার। মানুষ নিজেকে তরঙ্গের মতো সমাজের সর্বস্থরে বিলিয়ে দিয়ে সমাজ গঠনে ভূমিকা পালন করতে পারে। একজন ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে যেমন পূর্ণীমার চাঁদকে ঝলসানো রুটি বলে মনে হয়, কারন তার কাছে ক্ষুধানিবারণই মুখ্য বিষয়।চাঁদের আলো তার জীবনে কোন নতুন আলোকপাত করতে পারেনি।কবিরা কবিতার পাশাপাশি যদি গান রচনা করেন তাহলে বাংলা সঙ্গীতে আবারও নতুন মাত্রা যোগ করে বাংলাভাষায় সঙ্গীতাঙ্গন আরো সমৃদ্ধ হবে। সঙ্গীত জীবনের কথা বলে। সুরের ঝঙ্কারে জীবন বোধ নতুন করে জাগ্রত করাইতো জীবন। আমাদেরকে একটি জাতি হিসেবে নিজেদেরকে চিন্তা করবো তখন আমাদের বাবতে হবে।আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কি রেখে যাচ্ছি তা চিন্তা করতে হবে। শেষে তিনি নিজের লেখা একটি কবিতা আবৃত্তি করে তার বক্তৃতা শেষ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় লেখক গবেষক বেনজীন খান বলেন, কবি রফিকউজ্জামান আধুনিক বাংলার একজন জীবন্ত কিংবদন্তী ব্যক্তি। তিনি বাংলা সাহিত্য ও সঙ্গীতে যা দান করেছেন তা ইতিহাস হয়ে রয়েছে।বাংলার সঙ্গীতাঙ্গন তাকে আজীবন স্মরণ করবে। আজকের এই আয়োজনে আমাদের প্রধান অতিথি হিসেবে যিনি উপস্থিত আছেন তিনি আমাদের সকলের প্রিয় মানুষ মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান। আজকের এই আয়োজনে দুইজন কবির দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করতে পেরে প্রাচ্যসংঘ গর্বিত।পরে তিনি দুই জন কবির দুটি বইয়ের দুটি কবিতা আবৃত্তি করেন এবং এ বিষয়ে কবি বেনজীন খান তার নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আধুনিক বাংলার জীবন্ত কিংবদন্তি কবি রফিকউজ্জামান

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কবি উর্মি রহমান-এর ” থেকে যাবো ধূসর ডানায়” এবং কবি অতসী’র ” ভালোবাসার শীতলপাটি” – কাব্য গ্রন্থ দুটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে প্রাচ্যসংঘ যশোর এর উন্মুক্ত মঞ্চে এই দুটি কাব্য গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধান অতিথি দেশের খ্যাতিমান বরেণ্য গীতিকবি মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান।

প্রাচ্যসংঘ যশোরের কার্যনির্বাহী কমিটির আহবায়ক খবির উদ্দিন সুইটের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাচ্যসংঘ যশোরের প্রতিষ্ঠাতা কবি লেখক গবেষক সাংবাদিক বেনজীন খান, কবি কাসেদুজ্জামান সেলিম, দাউদ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল মাহফুজা নাসরিন ও কবি চঞ্চল শাহরিয়ার। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কবি উর্মি রহমান ও কবি অতসী।

আলোচনায় অংশ নেন কবি আলী বকস,কবি মশিয়ার রহমান। গ্রন্থ পরিচিতিতে অংশ গ্রহণ করেন সৈয়দ ফাহিম রাফিদ ও অনিক মাজহার। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ সোহানৃর রহমান ও তাপস কুমার পাল।

প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় বলেন, আজ দুইজন কবির দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করতে পেরে নিজের কাছে ভালো লাগছে। কবিদ্বয় নিজেদের লেখা দুটি কবিতা পাঠ করে আমাদেরকে সমৃদ্ধ করেছে।আজকের কবিরা নিজেদেরকে কবি হিসেবে পরিচয় দিতে কুন্ঠা বোধ করেন। কিন্তু আমি নিজেকে কবি ও গীতিকবি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করি। আমাদের যুবসমাজ বই থেকে মুখ সরিয়ে নিচ্ছে। আত্নকথন ও বিসৃতি এই দুইয়ের সমন্বয় ঘটানো কবি ও গীতিকবর কাজ। কবি জীননানন্দ দাস বলেছেন উপমায় কবিতা। কিন্তু শুধু উপমা দিয়ে কবিতা হয় ঠিকই কিন্তু আত্নকথন ও বিসৃতি কবিকে সুদুর প্রসারি সৃষ্টিতে সহায়তা করে। সৃষ্টির মুল রহস্য হচ্ছে নতুনকে আবিস্কার। মানুষ নিজেকে তরঙ্গের মতো সমাজের সর্বস্থরে বিলিয়ে দিয়ে সমাজ গঠনে ভূমিকা পালন করতে পারে। একজন ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে যেমন পূর্ণীমার চাঁদকে ঝলসানো রুটি বলে মনে হয়, কারন তার কাছে ক্ষুধানিবারণই মুখ্য বিষয়।চাঁদের আলো তার জীবনে কোন নতুন আলোকপাত করতে পারেনি।কবিরা কবিতার পাশাপাশি যদি গান রচনা করেন তাহলে বাংলা সঙ্গীতে আবারও নতুন মাত্রা যোগ করে বাংলাভাষায় সঙ্গীতাঙ্গন আরো সমৃদ্ধ হবে। সঙ্গীত জীবনের কথা বলে। সুরের ঝঙ্কারে জীবন বোধ নতুন করে জাগ্রত করাইতো জীবন। আমাদেরকে একটি জাতি হিসেবে নিজেদেরকে চিন্তা করবো তখন আমাদের বাবতে হবে।আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কি রেখে যাচ্ছি তা চিন্তা করতে হবে। শেষে তিনি নিজের লেখা একটি কবিতা আবৃত্তি করে তার বক্তৃতা শেষ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় লেখক গবেষক বেনজীন খান বলেন, কবি রফিকউজ্জামান আধুনিক বাংলার একজন জীবন্ত কিংবদন্তী ব্যক্তি। তিনি বাংলা সাহিত্য ও সঙ্গীতে যা দান করেছেন তা ইতিহাস হয়ে রয়েছে।বাংলার সঙ্গীতাঙ্গন তাকে আজীবন স্মরণ করবে। আজকের এই আয়োজনে আমাদের প্রধান অতিথি হিসেবে যিনি উপস্থিত আছেন তিনি আমাদের সকলের প্রিয় মানুষ মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান। আজকের এই আয়োজনে দুইজন কবির দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করতে পেরে প্রাচ্যসংঘ গর্বিত।পরে তিনি দুই জন কবির দুটি বইয়ের দুটি কবিতা আবৃত্তি করেন এবং এ বিষয়ে কবি বেনজীন খান তার নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেন।