রমজানের বাজারে মিশ্র চিত্র: বাড়তি দামে বেগুন-খেজুর
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহেও রাজধানীর বাজারে কয়েকটি পণ্যের দামে অস্বস্তি কাটেনি। বিশেষ করে বেগুন, শসা ও খেজুরের দাম এখনো চড়া। তবে খোলা আটা, ময়দা, ডিম, মুরগি ও পেঁয়াজের দামে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) কাওরানবাজার ও শান্তিনগর বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, রমজানে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের চাহিদা একসঙ্গে বেড়ে যাওয়ায় দামে চাপ পড়ে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সম্প্রতি সচিবালয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বলেন, অনেকেই একবারে মাসের বাজার করায় চাহিদা বেড়ে যায় এবং বিক্রেতারা সুযোগ নেয়। তবে সরবরাহ বাড়লে দাম স্বাভাবিক হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বর্তমানে বেগুন কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং শসা ৭০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খিরা ৬০ থেকে ৭০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এসব পণ্যের দাম বৃদ্ধির তথ্য জানিয়েছে।
অন্যদিকে লেবুর দাম কমে হালি প্রতি ৪০ থেকে ৮০ টাকায় নেমেছে, যা রমজানের শুরুতে ১০০ থেকে ১৬০ টাকা ছিল। কাঁচামরিচ কেজিতে ১০ টাকা কমে এখন ১০০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি নতুন পেঁয়াজের দাম ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় কম।
খোলা আটা ও ময়দার দাম কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা কমে যথাক্রমে ৪০ থেকে ৪৬ টাকা এবং ৪৮ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের বাদামি ডিমের ডজন ১১০ থেকে ১১৫ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে খেজুরের বাজারে এখনো স্বস্তি নেই। সাধারণ মানের খেজুর কেজিপ্রতি ৩২০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে খেজুর আমদানি আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। শুল্ক কমানো হলেও বাজারে তার সুফল এখনো পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি।





















