ঢাকা ০৫:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্য ঝুঁকি: তরুণদের মধ্যে ‘নীরব ঘাতক’ উচ্চ রক্তচাপের প্রভাব

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১৯:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সম্প্রতি দেখা গেছে, শুধুমাত্র বয়স্করাই নয়—স্কুলপড়ুয়া কিশোর-কিশোরী থেকে ২০–৩০ বছর বয়সী তরুণ পেশাজীবীর মধ্যেও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন।

চিকিৎসকদের মতে, এটি একটি ‘নীরব ঘাতক’, কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গ দেখা যায় না। অজান্তেই দীর্ঘদিনের জন্য শরীরে ক্ষতি হতে থাকে।

প্রধান কারণসমূহ:

দ্রুতগতির জীবনযাপন ও দীর্ঘ কাজের সময়, অনিয়মিত ঘুম ও মানসিক চাপ, অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, স্থূলতা, ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন, পরিবারে উচ্চ রক্তচাপের ইতিহাস।

লক্ষণ:

যদিও অনেক ক্ষেত্রে উপসর্গ নেই, কিছু ক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে: সকালে মাথাব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, অস্বাভাবিক ক্লান্তি ও অস্থিরতা, মাঝেমধ্যেই নাক দিয়ে রক্তপাত।

সম্ভাব্য জটিলতা:

নিয়ন্ত্রণহীন উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি সমস্যা, দৃষ্টিশক্তি হ্রাস এবং মস্তিষ্কের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

প্রতিরোধ ও সচেতনতা:

সুষম খাদ্য: ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া; লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানো।

নিয়মিত ব্যায়াম: সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন, ৩০ মিনিট করে।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ: ধ্যান, যোগব্যায়াম বা সৃজনশীল কাজ।

যথেষ্ট ঘুম: প্রতিদিন ৭–৯ ঘণ্টা।

**ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়ানো।

নিয়মিত পরীক্ষা: ১৮ বছর পরে বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ পরীক্ষা।

চিকিৎসকরা বলছেন, অল্প বয়স থেকেই সচেতনতা গড়ে তুললে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। ছোট ছোট পদক্ষেপই ভবিষ্যতের বড় বিপদ এড়াতে সহায়ক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্বাস্থ্য ঝুঁকি: তরুণদের মধ্যে ‘নীরব ঘাতক’ উচ্চ রক্তচাপের প্রভাব

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১৯:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সম্প্রতি দেখা গেছে, শুধুমাত্র বয়স্করাই নয়—স্কুলপড়ুয়া কিশোর-কিশোরী থেকে ২০–৩০ বছর বয়সী তরুণ পেশাজীবীর মধ্যেও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন।

চিকিৎসকদের মতে, এটি একটি ‘নীরব ঘাতক’, কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গ দেখা যায় না। অজান্তেই দীর্ঘদিনের জন্য শরীরে ক্ষতি হতে থাকে।

প্রধান কারণসমূহ:

দ্রুতগতির জীবনযাপন ও দীর্ঘ কাজের সময়, অনিয়মিত ঘুম ও মানসিক চাপ, অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, স্থূলতা, ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন, পরিবারে উচ্চ রক্তচাপের ইতিহাস।

লক্ষণ:

যদিও অনেক ক্ষেত্রে উপসর্গ নেই, কিছু ক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে: সকালে মাথাব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, অস্বাভাবিক ক্লান্তি ও অস্থিরতা, মাঝেমধ্যেই নাক দিয়ে রক্তপাত।

সম্ভাব্য জটিলতা:

নিয়ন্ত্রণহীন উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি সমস্যা, দৃষ্টিশক্তি হ্রাস এবং মস্তিষ্কের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

প্রতিরোধ ও সচেতনতা:

সুষম খাদ্য: ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া; লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানো।

নিয়মিত ব্যায়াম: সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন, ৩০ মিনিট করে।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ: ধ্যান, যোগব্যায়াম বা সৃজনশীল কাজ।

যথেষ্ট ঘুম: প্রতিদিন ৭–৯ ঘণ্টা।

**ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়ানো।

নিয়মিত পরীক্ষা: ১৮ বছর পরে বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ পরীক্ষা।

চিকিৎসকরা বলছেন, অল্প বয়স থেকেই সচেতনতা গড়ে তুললে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। ছোট ছোট পদক্ষেপই ভবিষ্যতের বড় বিপদ এড়াতে সহায়ক।