ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

একনেক বৈঠকে ১০ প্রকল্প পাস, খুলনা প্রকল্পে আপত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:২৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রায় ৩ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্প এবং চীনা ইকোনমিক জোন প্রকল্প অনুমোদন পায়নি।

মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

সভায় পাঁচটি নতুন, তিনটি সংশোধিত এবং দুটি মেয়াদ বৃদ্ধি পাওয়া প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বরিশাল সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন, সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ, আনোয়ারা-বাঁশখালী-চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন এবং ৩৩ জেলায় সার্কিট হাউস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট সংযোজন।

এছাড়া বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ, ঢাকা সিএমএইচে ক্যান্সার সেন্টার নির্মাণের দ্বিতীয় পর্যায়, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও তথ্যব্যবস্থা (এমইএমআইএস) উন্নয়ন, ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং জাতীয় গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।

সভায় ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের আরও ছয়টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেককে অবহিত করা হয়। এর মধ্যে পৌরসভাগুলোর পানি ও স্যানিটেশন উন্নয়ন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ডাকসেবা সম্প্রসারণ এবং শিশুবিবাহ প্রতিরোধ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায় উল্লেখযোগ্য।

তবে আলোচ্যসূচিতে থাকা খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক (তৃতীয় সংশোধন) প্রকল্পটি অনুমোদন পায়নি। প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘ বিলম্বের কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি আরও পর্যালোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, বহুল আলোচিত চীনা ইকোনমিক জোন প্রকল্পটি সময়ের অভাবে সভায় আলোচনা হয়নি। আগামী একনেক সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

একনেক বৈঠকে ১০ প্রকল্প পাস, খুলনা প্রকল্পে আপত্তি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:২৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রায় ৩ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্প এবং চীনা ইকোনমিক জোন প্রকল্প অনুমোদন পায়নি।

মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

সভায় পাঁচটি নতুন, তিনটি সংশোধিত এবং দুটি মেয়াদ বৃদ্ধি পাওয়া প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বরিশাল সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন, সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ, আনোয়ারা-বাঁশখালী-চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন এবং ৩৩ জেলায় সার্কিট হাউস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট সংযোজন।

এছাড়া বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ, ঢাকা সিএমএইচে ক্যান্সার সেন্টার নির্মাণের দ্বিতীয় পর্যায়, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও তথ্যব্যবস্থা (এমইএমআইএস) উন্নয়ন, ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং জাতীয় গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।

সভায় ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের আরও ছয়টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেককে অবহিত করা হয়। এর মধ্যে পৌরসভাগুলোর পানি ও স্যানিটেশন উন্নয়ন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ডাকসেবা সম্প্রসারণ এবং শিশুবিবাহ প্রতিরোধ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায় উল্লেখযোগ্য।

তবে আলোচ্যসূচিতে থাকা খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক (তৃতীয় সংশোধন) প্রকল্পটি অনুমোদন পায়নি। প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘ বিলম্বের কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি আরও পর্যালোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, বহুল আলোচিত চীনা ইকোনমিক জোন প্রকল্পটি সময়ের অভাবে সভায় আলোচনা হয়নি। আগামী একনেক সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।