ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

লোকসভায় বড় ধাক্কা তৃণমূলে, বিদ্রোহী শিবিরে ২০ সাংসদ

কলকাতা প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৩০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর এবার সংসদীয় রাজনীতিতেও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের ২৮ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে ২০ জন বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। বিদ্রোহী সাংসদদের নেতৃত্বে রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও শতাব্দী রায়।

সোমবার (৮ জুন) বিদ্রোহী সাংসদরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। একই দিনে রাজ্যসভার দুই সদস্য সুখেন্দুশেখর রায় ও কোয়েল মল্লিক পদত্যাগ করেছেন বলেও জানা গেছে। আরও কয়েকজন সাংসদ একই পথে হাঁটতে পারেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদীয় দলে এই ভাঙনের প্রভাব তৃণমূলের সাংগঠনিক কাঠামোতেও পড়তে পারে। এমনকি ভবিষ্যতে দলটির নাম ও নির্বাচনী প্রতীক নিয়েও জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সূত্রের দাবি, দিল্লিতে অনুষ্ঠিত একাধিক বৈঠকে বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের পরবর্তী রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাদের মধ্যে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, অসিত মাল, বাপি হালদার, জুন মালিয়া, জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তীসহ আরও কয়েকজনের নাম আলোচনায় এসেছে।

এদিকে তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্রোহী শিবিরের দাবি স্বীকার করা হয়নি। দলীয় সূত্রের বক্তব্য, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সাংগঠনিকভাবে বিষয়টি মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, যদি বিদ্রোহী শিবির তাদের সংখ্যাগত শক্তি ধরে রাখতে পারে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে সংসদে তৃণমূলের অবস্থানও উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লোকসভায় বড় ধাক্কা তৃণমূলে, বিদ্রোহী শিবিরে ২০ সাংসদ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৩০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর এবার সংসদীয় রাজনীতিতেও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের ২৮ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে ২০ জন বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। বিদ্রোহী সাংসদদের নেতৃত্বে রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও শতাব্দী রায়।

সোমবার (৮ জুন) বিদ্রোহী সাংসদরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। একই দিনে রাজ্যসভার দুই সদস্য সুখেন্দুশেখর রায় ও কোয়েল মল্লিক পদত্যাগ করেছেন বলেও জানা গেছে। আরও কয়েকজন সাংসদ একই পথে হাঁটতে পারেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদীয় দলে এই ভাঙনের প্রভাব তৃণমূলের সাংগঠনিক কাঠামোতেও পড়তে পারে। এমনকি ভবিষ্যতে দলটির নাম ও নির্বাচনী প্রতীক নিয়েও জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সূত্রের দাবি, দিল্লিতে অনুষ্ঠিত একাধিক বৈঠকে বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের পরবর্তী রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাদের মধ্যে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, অসিত মাল, বাপি হালদার, জুন মালিয়া, জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তীসহ আরও কয়েকজনের নাম আলোচনায় এসেছে।

এদিকে তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্রোহী শিবিরের দাবি স্বীকার করা হয়নি। দলীয় সূত্রের বক্তব্য, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সাংগঠনিকভাবে বিষয়টি মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, যদি বিদ্রোহী শিবির তাদের সংখ্যাগত শক্তি ধরে রাখতে পারে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে সংসদে তৃণমূলের অবস্থানও উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।