ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঋণখেলাপিদের তথ্য চেয়ে ইসির চিঠি এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ঝালকাঠিতে ১৬০ মণ্ডপে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি, নিরাপত্তায় সিসিটিভি শেষ তুলির আঁচড়ে দুর্গাপ্রতিমায় প্রাণ, উৎসবের অপেক্ষায় ইসলামপুর নোয়াখালীতে হাসপাতালের জানালার গ্রিল কেটে ৯ লাখ টাকা চুরি চাহিদা মিটিয়ে ডিম রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বিশ্বব্যাংক থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী প্রবাসীদের হয়রানি নিরসনে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা, শিগগিরই চালু যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলের অভিযোগ, বিচার দাবিতে মানববন্ধন সিলেটে হামের চাপ, শয্যা সংকটে এক বিছানায় একাধিক শিশু

বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত কর্মীর মৃত্যু

আবু-হানিফ,বাগেরহাট
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৮১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাগেরহাটের চিতলমারীতে দলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আহত বিএনপি কর্মী নুর ইসলাম শেখ (৪৮) মারা গেছেন।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত নুর ইসলাম শেখ জেলার চিতলমারী উপজেলা কলাতলা ইউনিয়নের চর-চিংড়ী গ্রামের জলিল শেখের ছেলে ও ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী ছিলেন। চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস. এম. শাহাদাৎ হোসেন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে গোলাম কিবয়িরা মাস্টার ও মোস্তাফিজুর রহমান কচি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নুর ইসলাম শেখ গুরুতর আহত হন। এই মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির উভয় গ্রুপের মধ্যে ফের সংঘর্ষের আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে ওই এলাকায় পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন করা হয়েছে।

চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস. এম. শাহাদাৎ হোসেন জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি কলাতলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিবাদমান গোলাম কিবয়িরা মাস্টার ও মোস্তাফিজুর রহমান কচি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে কচি গ্রুপের বিএনপি কর্মী নুর ইসলাম শেখ গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে টুঙ্গিপাড়া পরে গোপালগঞ্জ ২৫০ বেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। বুধবার রাত ৮টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির উভয় গ্রুপের মধ্যে ফের সংঘর্ষের আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ওই এলাকায় পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন করা হয়েছে। বিএনপি দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় এজাহার নামীয় ২ আসামিকে পুলিশ ইতোমধ্যেই গ্রেফতার করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত কর্মীর মৃত্যু

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বাগেরহাটের চিতলমারীতে দলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আহত বিএনপি কর্মী নুর ইসলাম শেখ (৪৮) মারা গেছেন।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত নুর ইসলাম শেখ জেলার চিতলমারী উপজেলা কলাতলা ইউনিয়নের চর-চিংড়ী গ্রামের জলিল শেখের ছেলে ও ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী ছিলেন। চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস. এম. শাহাদাৎ হোসেন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে গোলাম কিবয়িরা মাস্টার ও মোস্তাফিজুর রহমান কচি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নুর ইসলাম শেখ গুরুতর আহত হন। এই মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির উভয় গ্রুপের মধ্যে ফের সংঘর্ষের আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে ওই এলাকায় পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন করা হয়েছে।

চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস. এম. শাহাদাৎ হোসেন জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি কলাতলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিবাদমান গোলাম কিবয়িরা মাস্টার ও মোস্তাফিজুর রহমান কচি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে কচি গ্রুপের বিএনপি কর্মী নুর ইসলাম শেখ গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে টুঙ্গিপাড়া পরে গোপালগঞ্জ ২৫০ বেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। বুধবার রাত ৮টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির উভয় গ্রুপের মধ্যে ফের সংঘর্ষের আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ওই এলাকায় পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন করা হয়েছে। বিএনপি দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় এজাহার নামীয় ২ আসামিকে পুলিশ ইতোমধ্যেই গ্রেফতার করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।