বগুড়ায় নাগরিক ঐক্যর সংবাদ সম্মেলন (ভিডিও)
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৫০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৯৫ বার পড়া হয়েছে
বগুড়া প্রেসক্লাবে জেলা নাগরিক ঐক্যর সমন্বয়ক ও সদস্য বৃন্দ সহ শিবগঞ্জ উপজেলা নাগরিক ঐক্যর সাইদুর রহমান সাগর এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, বগুড়া জেলা শিবগঞ্জ উপজেলা নাগরিক ঐক্য কমিটির পক্ষ থেকে অত্যন্ত ভয়াবহ লোহমর্ষক এবং জঘন্যতম বাস্তব ঘটনা তুলে ধরতে চাই। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
আপনারা জানেন নাগরিক ঐক্যের সম্মানিত সভাপতি জনাব মাহমুদুর রহমান মান্না আমাদের উপজেলা তথা বগুড়া জেলার অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের একজন অন্যতম রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যিনি এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। আপনারা এটাও অবগত যে, ক্ষমতচ্যুত ও পলাতক আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের দূঃশাসন, সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট, গুম, খুন এবং মামলা, হামলার বিরুদ্ধে যিনি বিগত ১৫-১৬ বছর যাবত বিএনপিসহ সমমনা দল সমূহের সাথে যুগপৎ আন্দোলনের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে দীর্ঘদিন নির্যাতিত হলেও এবং আওয়ামী সরকারের রোষানলে পরলেও ছিলেন অকুতোভয় এবং সকল প্রকার অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। বিভিন্ন টকশো এবং আলোচনা সভায় তার বক্তব্য শুনে ছাত্র-জনতা সহ বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থক বৃন্দ অনুপ্রাণিত হয়ে উঠেন। তার মত দেশ তথা জাতির অহংকার এই রাজনীতিবিদের নিজ হাতে তিলে তিলে গড়া নাগরিক ঐক্য বাংলাদেশ।
বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলাসহ প্রায় সকল জেলা উপজেলায় সুনামের সহিত বিস্তৃতি লাভ করছে। কিন্তু, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, এই মহান ২১ শে ফেব্রুয়ারী-২৫, রাত্রী ১২.০১ মিনিটে শিবগঞ্জ উপজেলা চত্তরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধার্ঘ প্রদর্শনের পর পরই ১২.১৫ মিনিটের দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ইউ এন ও মহোদয় এবং ওসি সাহেবের সম্মুখেই মীর শাহে আলম পন্থী বি এন পি’র প্রায় ৩০/৪০ জন উচ্ছৃঙ্খল কর্মী-সমর্থক কোনো প্রকার কারণ ছাড়াই শিবগঞ্জ উপজেলা নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক শহীদুল ইসলামের কপালের নিচে এবং কোমড়ে উপর্যপরি ছুরিকাঘাত করে এবং কিল, ঘুষি, লাথি মেরে তাকে মারাত্মকভাবে আহত করে। এসময় ও সি সাহেব তাকে রক্ষা করতে গেলে তিনিও অবশ্য কিছুটা লাঞ্চিত হন। এ সময় যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক সহ আরও নেতাকর্মী আহত হয়। ছুরিকাঘাত শহিদুলকে শিবগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে তারা তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজে রিফার্ড করেন। এখানে এখনো তিনি ভর্তি আছেন এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর তারা তাকে অবিলম্বে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন, কারন তার একটা কিডনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে, আমরা ২৩ জানুয়ারি) থানায় অভিযোগ দিতে গেলে ওসি সাহেব রাজশাহীতে আছেন বলে অভিযোগ দেওয়া হয়নি। তবে ঐ দিনেই তার WhatsApp sent করা হয়েছে। দেখুন অপরদিকে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ যুবদল নেতা রনির বাসায় হামলার একটি নতুন নাটক সাজিয়ে নাগরিক ঐক্যের ঘারে দোষ চাপিয়ে আসল বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন, যা মিথ্যাচার, বানোয়াট এবং অপকৌশল মাত্র।
এমতাবস্থায়, আমরা মির শাহে আলমের গুন্ডা বাহিনীর উদ্ধৃতপুন আচরণে ও ভয়ে মামলা নিয়ে থানা য়েতে পাচ্ছি না। আপনাদের মাধ্যমে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত ঘটনা উন্মোচন করে দোষী ও দায়ী ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবী জানাচ্ছি এবং আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা মাহমুদুর রহমান মান্নার জনপ্রিতায় যারা ঈর্ষান্বিত হয়ে এই সমস্ত জঘন্যতম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তাদের কার্যক্রম ও আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।
এ বিষয়ে ওসি শাহিনুজ্জামানকে বলেন, উভয়েই আমাদের কাছে অভিযোগ দিয়েছে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


























