ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রবাসীদের হয়রানি নিরসনে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা, শিগগিরই চালু যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলের অভিযোগ, বিচার দাবিতে মানববন্ধন সিলেটে হামের চাপ, শয্যা সংকটে এক বিছানায় একাধিক শিশু শিশুর ডিএনএ পরীক্ষা কি চাইলেই করা যায়? রয়েছে নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমল ৩,২৬৬ টাকা রাতে মহাসড়কে সিএনজি চালায় কারা? পরিচয়হীন চালক, ঝুঁকিতে যাত্রী জেএফকে বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. ইউনূস অনিয়মের ভিডিও করায় সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিলেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী নাসিরনগরে সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, কাঠগড়ায় এমপি হান্নান ২৯ অক্টোবর এইচএসসি-সমমানের ফল, মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে এসে ক্ষোভ ঝাড়লেন আইনজীবীরা

রুবেল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্যরা। শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা না জানাতে পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন । পরে শহীদ মিনার থেকে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য স্থান ত্যাগ করেন।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারী) রাত ১১টা ৫৫মিনিটে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (বড় মাঠ) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীদের মতো আরো অনেকেই ফুল নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসলেও ফিরে যান। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

জেলা আইনজীবী সমিতিে পাঠানো ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক চিঠি থেকে জানা গেছে, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে রাত ১২টা ১ মিনিটে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ (বড়মাঠ) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সাড়ে ১২টার দিকে শহরের সাধারণ পাঠাগারের সামনে অবস্থিত ভাষা সৈনিক মরহুম দবিরুল ইসলামের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এই চিঠি জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে পাঠানো হয়েছে। সেই তালিকা ও সময় অনুযারী জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এন্তাজুল হক ও অন্যান্য সদস্যরা ফুল নিয়ে রাত ১১টা ৫০মিনিটে এসে দেখেন বড় মাঠ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের চারপাশ বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরে রাখা হয়েছে। সময় অন্যান্যরা শ্রদ্ধা জানাতে না পারলেও আইনজীবীরা গণমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তবে ঠাকুরগাঁও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সোলেমান আলীর স্বাক্ষরিত আরেক চিঠিতে বলা হয়েছে রাত ১২টা ১ মিনিটে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সকাল ৬ টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ (বড়মাঠ) শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা কথা উল্লেখ্য করা হলেও এই চিঠি আইনজীবীদের দেওয়া হয়নি।

অভিযোগ করে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এন্তাজুল হক জানান, সরকারি কর্মসূচীর অংশ হিসেবে অফিসিয়ালি ভাবে আমাদের একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। যা প্রতিবছর করা হয়। সেই অনুযারী বড় মাঠ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরা আইনজীবীরা শ্রদ্ধা জানাতে আসছি। কিন্তু শহীদ মিনারে এসে দেখি কেউ নাই। ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়েছে। কিন্তু ভেন্যু কথায় করা হয়েছে তা প্রশাসনের পক্ষে থেকে আমাদের জানানো হয়নি।

তিনি আরো বলেন, জেলা প্রশাসনের কাছে থেকে এ রকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এতটা অবহেলা কোন মতেই কাম্য নয়। আইনজীবী সমিতিকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে ও নিদিষ্ট ভেন্যু করে দেওয়া হয়েছে বড় মাঠ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। যদি ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়ে থাকে তাহলে আমাদের জানানো হলো না কেন? এভাবে আমাদের বিবৃত করা ঠিক হয়নি। এটা খুবই দুঃখজনক। ভেন্যু যেখানেই হউক না কেন তার পরেও আমরা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাবো। তবে এমন আচরণ মটেও কাম্য নয়।

এসময় শিবগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের এক সহকারী অধ্যাপক বলেন, প্রতিবছর আমরা রাত ১২টা ১ মিনিটে বড় মাঠ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করি। এবারও শ্রদ্ধা জানাতে আসলাম। এসে দেখি কিছুই নেই। আমি মনে করি এই ভেন্যু যে পরিবর্তন করা হয়েছে সেটার বিস্তর প্রচার দরকার ছিলো। তাহলে মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে এসে ঘুরে যেত না।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, আমরা এক যুগ ধরে জেনে আসছি বড় মাঠ শহীদ মিনারটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। প্রতি বছর আমরা শহীদ মিনারের চারপাশ ও প্রবেশ পথে আলপনা আকি। কিন্তু এবার দেখি ভিন্ন। সকাল থেকে শহীদ মিনারটি নোংরা হয়ে পড়ে আছে। কেউ পরিষ্কার করেনি। আমরা ছাত্ররা বিকেল পানি দিয়ে পরিষ্কার করে আলপনা এঁকে দেই। যাতে প্রথম প্রহরে সর্বস্তরের মানুষ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে পারে। কিন্তু রাতে এসে মানুষ ফুল নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে এসে ঘুরে যাচ্ছে। মিনারের চারপাশ বেড়া দিয়ে ঘেরা রাখা হয়েছে।

তারা আরো জানায়, এমন টা তো আগে ছিলো না। সরকার পতনের পর থেকে ভাগ হওয়া শুরু হয়ছে। যার যেটা পছন্দ না সে সেখানে যায় না বা কাউকে যেতে দেয়না। এটা তো হতে পারে না। একটা শহীদ মিনার সবার জন্য। যেটা হয়েছে বা হচ্ছে তা খুবই দুঃখজনক।

একজন ফেসবুকে লিখেন, আগে ফুল দিতেন পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে, এবার দিলেন সরকারি কলেজ মাঠে কিন্তু আমজনতা কেন বড় মাঠ থেকে বঞ্চিত করলেন।

কাউসার কবির সোরভ নামে একজন মন্তব্য করে, জেলার সর্বোচ্চ কর্মকর্তা যদি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ফেলে নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠান এর শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান তাহলে জেলার সকল সরকারি-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর শহীদ মিনারগুলো তো দোষ করেনি। সবখানে যাওয়া উচিত। কোনো বৈষম্য থাকা উচিত না

সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী স্থানীয় উদ্যোগে সংগৃহীত তহবিল থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (জিলা স্কুল বড়মাঠ) নির্মাণ করা হয় শহীদ মিনারটি। তখন থেকেই এই শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সবাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে এসে ক্ষোভ ঝাড়লেন আইনজীবীরা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্যরা। শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা না জানাতে পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন । পরে শহীদ মিনার থেকে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য স্থান ত্যাগ করেন।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারী) রাত ১১টা ৫৫মিনিটে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (বড় মাঠ) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীদের মতো আরো অনেকেই ফুল নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসলেও ফিরে যান। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

জেলা আইনজীবী সমিতিে পাঠানো ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক চিঠি থেকে জানা গেছে, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে রাত ১২টা ১ মিনিটে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ (বড়মাঠ) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সাড়ে ১২টার দিকে শহরের সাধারণ পাঠাগারের সামনে অবস্থিত ভাষা সৈনিক মরহুম দবিরুল ইসলামের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এই চিঠি জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে পাঠানো হয়েছে। সেই তালিকা ও সময় অনুযারী জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এন্তাজুল হক ও অন্যান্য সদস্যরা ফুল নিয়ে রাত ১১টা ৫০মিনিটে এসে দেখেন বড় মাঠ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের চারপাশ বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরে রাখা হয়েছে। সময় অন্যান্যরা শ্রদ্ধা জানাতে না পারলেও আইনজীবীরা গণমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তবে ঠাকুরগাঁও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সোলেমান আলীর স্বাক্ষরিত আরেক চিঠিতে বলা হয়েছে রাত ১২টা ১ মিনিটে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সকাল ৬ টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ (বড়মাঠ) শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা কথা উল্লেখ্য করা হলেও এই চিঠি আইনজীবীদের দেওয়া হয়নি।

অভিযোগ করে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এন্তাজুল হক জানান, সরকারি কর্মসূচীর অংশ হিসেবে অফিসিয়ালি ভাবে আমাদের একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। যা প্রতিবছর করা হয়। সেই অনুযারী বড় মাঠ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরা আইনজীবীরা শ্রদ্ধা জানাতে আসছি। কিন্তু শহীদ মিনারে এসে দেখি কেউ নাই। ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়েছে। কিন্তু ভেন্যু কথায় করা হয়েছে তা প্রশাসনের পক্ষে থেকে আমাদের জানানো হয়নি।

তিনি আরো বলেন, জেলা প্রশাসনের কাছে থেকে এ রকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এতটা অবহেলা কোন মতেই কাম্য নয়। আইনজীবী সমিতিকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে ও নিদিষ্ট ভেন্যু করে দেওয়া হয়েছে বড় মাঠ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। যদি ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়ে থাকে তাহলে আমাদের জানানো হলো না কেন? এভাবে আমাদের বিবৃত করা ঠিক হয়নি। এটা খুবই দুঃখজনক। ভেন্যু যেখানেই হউক না কেন তার পরেও আমরা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাবো। তবে এমন আচরণ মটেও কাম্য নয়।

এসময় শিবগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের এক সহকারী অধ্যাপক বলেন, প্রতিবছর আমরা রাত ১২টা ১ মিনিটে বড় মাঠ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করি। এবারও শ্রদ্ধা জানাতে আসলাম। এসে দেখি কিছুই নেই। আমি মনে করি এই ভেন্যু যে পরিবর্তন করা হয়েছে সেটার বিস্তর প্রচার দরকার ছিলো। তাহলে মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে এসে ঘুরে যেত না।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, আমরা এক যুগ ধরে জেনে আসছি বড় মাঠ শহীদ মিনারটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। প্রতি বছর আমরা শহীদ মিনারের চারপাশ ও প্রবেশ পথে আলপনা আকি। কিন্তু এবার দেখি ভিন্ন। সকাল থেকে শহীদ মিনারটি নোংরা হয়ে পড়ে আছে। কেউ পরিষ্কার করেনি। আমরা ছাত্ররা বিকেল পানি দিয়ে পরিষ্কার করে আলপনা এঁকে দেই। যাতে প্রথম প্রহরে সর্বস্তরের মানুষ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে পারে। কিন্তু রাতে এসে মানুষ ফুল নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে এসে ঘুরে যাচ্ছে। মিনারের চারপাশ বেড়া দিয়ে ঘেরা রাখা হয়েছে।

তারা আরো জানায়, এমন টা তো আগে ছিলো না। সরকার পতনের পর থেকে ভাগ হওয়া শুরু হয়ছে। যার যেটা পছন্দ না সে সেখানে যায় না বা কাউকে যেতে দেয়না। এটা তো হতে পারে না। একটা শহীদ মিনার সবার জন্য। যেটা হয়েছে বা হচ্ছে তা খুবই দুঃখজনক।

একজন ফেসবুকে লিখেন, আগে ফুল দিতেন পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে, এবার দিলেন সরকারি কলেজ মাঠে কিন্তু আমজনতা কেন বড় মাঠ থেকে বঞ্চিত করলেন।

কাউসার কবির সোরভ নামে একজন মন্তব্য করে, জেলার সর্বোচ্চ কর্মকর্তা যদি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ফেলে নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠান এর শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান তাহলে জেলার সকল সরকারি-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর শহীদ মিনারগুলো তো দোষ করেনি। সবখানে যাওয়া উচিত। কোনো বৈষম্য থাকা উচিত না

সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী স্থানীয় উদ্যোগে সংগৃহীত তহবিল থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (জিলা স্কুল বড়মাঠ) নির্মাণ করা হয় শহীদ মিনারটি। তখন থেকেই এই শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সবাই।